লুঠ চলছে, এরকম পরিস্থিতি হয়নি! 'ভোট সন্ত্রাস' প্রসঙ্গে বিস্ফোরক শিশির অধিকারী
৫০-৬০ বছর ধরে ভোট দিই। এরকম পরিস্থিতি হয়নি। চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করলেন শিশির অধিকারী। আজ রবিবার রাজ্যের ১০৮ পুরসভায় নির্বাচন চলছে। ভোট শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে প
৫০-৬০ বছর ধরে ভোট দিই। এরকম পরিস্থিতি হয়নি। চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করলেন শিশির অধিকারী। আজ রবিবার রাজ্যের ১০৮ পুরসভায় নির্বাচন চলছে। ভোট শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।

বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। দফায় দফায় উত্তেজনা অধিকারী গড়েও। কাঁথির বিভিন্ন অংশে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ। আর এই অভিযোগ ঘিরেই উত্তপ্ত এলাকা। এই অবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন শিশির অধিকারী।
গত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত রয়েছে অধিকারী গড় বলে পরিচিত কাঁথি। জানা গিয়েছে, আজ ভোটের দিন সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকাতে। কাঁথি পুরসভার বিভিন্ন অংশে বিজেপি কর্মী, এজেন্টদের ভয় দেখানো হয় বলে অভিযোগ। আর সেই খবর পাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন অংশে ছোটাছুটি করতে দেখা যায় সৌমেন্দুকে। এমনকি তাঁকেও বিভিন্ন জায়গাতে আটকানো হয় বলে অভিযোগ। যদিও তৃণমূলের দাবি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সর্বত্র ঘুরে বেড়াচ্ছেন বিরোধী দলনেতার ছোট ভাই।
বাহিনী ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে আবার কখনও তৃণমূল প্রার্থীদেরও ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। আর এই অভিযোগ পালটা অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। এমনকি রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী নাকি তাঁর গায়ে হাত দিয়েছে। আর এই অবস্থায় আরও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
অন্যদিকে শিশির অধিকারী ভোট দিতে বের হলে তাঁকে সবাই ঘিরে এই বিষয়ে অভিযোগ জানাতে থাকেন। এমনকি সৌমেন্দুকে রাজ্য পুলিশ ঘিরে রেখেছে বলে বলে অভিযোগ সামনে আসে। এই বিষয়ে শিশিরবাবুকে জিজ্ঞেস করা হলে সঙ্গে সঙ্গেই ছেলের কাছে ছুটে চলে যান তিনি। সৌমেন্দুর সঙ্গে কথা বলে পুরো বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন শিশিরবাবু।
পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। শিশির অধিকারী বলেন, লুঠ চলছে! '৫০ থেকে ৬০ বছর ধরে ভোট দিই। কিন্তু এরকম পরিস্থিতি হয়নি'। এমনকি এই ঘটনার দায় রাজ্যের মন্ত্রীর উপরেই চাপান তিনি।
উল্লেখ্য, এবার কাঁথি পুরসভায় অধিকারী পরিবারের কোনও সদস্য নেই। কাউকেই প্রার্থী করা হয়নি। এই অবস্থায় নিজের গড় দখলে রাখাটা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে প্রেস্টিজিয়াস ফাইট। কেউ কাউকে জায়গা ছাড়তে নারাজ। যা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনা রয়েছে সেখানে। বারবার বাধার মুখে পড়তে হয়েছে শুভেন্দু অধিকারী। এই অবস্থায় এদিনের ঘটনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications