সন্ত্রাসের সংস্কৃতি চলছে! বাংলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিস্তারিত তথ্য চাইলেন ধনখড়
তৃণমূলের পঞ্চায়েত উপপ্রধান খুনের ঘটনায় রণক্ষেত্র বীরভূম। রাতভর দুস্কৃতী তাণ্ডব। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বকটুই গ্রামের একাধিক বাড়িতে। তবে এহেন ঘটনায় মৃতের সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। দমকলের তরফে ১০টি দেহ উদ্ধারে ঘটনা বলা হলে
তৃণমূলের পঞ্চায়েত উপপ্রধান খুনের ঘটনায় রণক্ষেত্র বীরভূম। রাতভর দুস্কৃতী তাণ্ডব। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বকটুই গ্রামের একাধিক বাড়িতে। তবে এহেন ঘটনায় মৃতের সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। দমকলের তরফে ১০টি দেহ উদ্ধারে ঘটনা বলা হলেও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্য পুলিশের ডিজিপি।

এই ঘটনা সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও। ইতিমধ্যে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য তলব করা হয়েছে।
মুখ্যসচিবের কাছে এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তলব করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। শুধু তাই নয়, এই ঘটনাকে ভয়ঙ্কর বলেও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। রামপুরহাটের ঘটনা সামনে আসার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে একটি বার্তা দিয়েছেন রাজ্যপাল। সেখানে কার্যত রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রাজ্যপাল বলেন, রাজ্যে আইনের শাসন নেই। সন্ত্রাসের সংস্কৃতি চলছে বলেও রাজ্য প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা জগদীপ ধনখড়ের।
রাজ্যে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এই অবস্থায় রামপুরহাটের ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা। আর তা সামনে আসতেই ফের একবার তোপ রাজ্যপালের। তবে এই টুইট ঠিক নয় বলে দাবি কুণাল ঘোষের। শুধু তাই নয়, ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন তিনি। কুণালের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস কিংবা বাংলাকে হেয় করার চেষ্টা চলছে।
Horrifying violence and arson orgy #Rampurhat #Birbhum indicates state is in grip of violence culture and lawlessness. Already eight lives lost.
— Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) March 22, 2022
Have sought urgent update on the incident from Chief Secretary.
My thoughts are with the families of the bereaved. pic.twitter.com/vtI6tRJcBX
যদিও এই ঘটনার পরেই নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আর এই বৈঠকের পরেই ঘটনাস্থলে সিআইডি'র উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা রামপুরহাটে পৌঁছে গিয়েছেন। গিয়েছেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও। অন্যদিকে এই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি। ঘটনার পরেই রামপুরহাটের বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। সেই মতো মামলার দায়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, চা'য়ের দোকানে বসে থাকার সময়ে খুন হতে হয় ভাদু শেখকে। একের পর এক বোমা মেরে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। আর এরপরেই একাধিক বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা।
ইতিমধ্যে বীরভুমের ঘটনাকে 'ছোট আঙ্গারিয়া'র সঙ্গে তুলনা করেছেন বিরোধী দলনেতা। একই সঙ্গে পুলিশমন্ত্রী তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও পদত্যাগ দাবি করেছেন তিনি। আর এই ঘটনা নিয়ে লাগাতার আন্দোলন চলবে বলে হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর। অন্যদিকে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের দাবিতে মঙ্গলবার বিকেলেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দ্বারস্থ হচ্ছে বিজেপির সাংসদরা। ফলে রামপুরহাটের ঘটনা নিয়ে নতুন তোলপার হতে চলেছে রাজ্য।












Click it and Unblock the Notifications