রাজ্যে বাড়ছে সংক্রমণ, দুর্গাপুজোর পর কালীপুজোতেও সারা রাত ঠাকুর দেখায় ছাড়
রাজ্যে বাড়ছে সংক্রমণ, দুর্গাপুজোর পর কালীপুজোতেও সারা রাত ঠাকুর দেখায় ছাড়
দুর্গাপুজোর পর এবার কালীপুজোতেও নাইট কার্ফু শীথিল করার কথা ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কালীপুজোতেও সারারাত ঠাকুর দেখতে পারবেন সকলে। ছটপুজোর জন্যেও নাইট কার্ফু শীথিল করা হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য দুর্গাপুজোয় নাইট কার্ফু শীথিল করার জন্য করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে রাজ্যে। গতকালই রাজ্যে দৈনিক করোনা সংক্রমণ ছিল প্রায় হাজারের কাছাকাছি। কেন্দ্রের তরফে রাজ্যকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ েদওয়া হয়েছে। গতকালই কলকাতা শহরের চারটি ওয়ার্ডে কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে। তারপরেও রাজ্য সরকারের এঅ সিদ্ধান্ত উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

কালীপুজোতে সারারাত ঠাকুর দেখায় ছাড়
দুর্গাপুজোর আগে নাইট কার্ফু শীথিল করে সারারাত ঠাকুর দেখায় ছাড় দওয়া হয়েছিল। তার জেরে কলকাতায় উৎসব মুখর হয়ে গিয়েছিল। শয়ে শয়ে মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে ঠাকুর দেখেছিলেন। তার জেরে রাজ্যের করোনা সংক্রমণ ১০০০ ছুঁই ছুঁই পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গিয়েছে। তারপরেই আবার কালীপুজোেতও নাইট কার্ফু শীথিল করা হয়েছে। কাজেই কালীপুজোতেও সারারাত ঠাকুর দেখায় যাবে বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে ছটপুজোতেও শীথিল করা হয়েছে নাইট কার্ফু। কারণ ছটপুজোতে ভোর রাতে পুজো করতে হয়। সূর্য দেবতার পুজো হয় বলে ভোর রাতেই পুজোর সামগ্রি নিয়ে যেতে হয় তাঁদের। তাই তাঁদের সুবিধার্থেই নাইট কার্ফু শীিথল করা হয়েছে।

চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন
লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হচ্ছে ৬ মাস পরে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি এখন খারাপ হতে শুরু করেছে। গতকালই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯৯০ জন। কলকাতার চারটি ওয়ার্ডে কন্টেনমন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে। সোনারপুর-রাজপুর এলাকায় আবার লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু করায় নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে। তার উপরে আবার স্কুল কলেজ খুলে যাচ্ছে আগামি ১৬ অগাস্ট থেকে। ১ নভেম্বর থেকে স্কুলে যেতে শুরু করবেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা । তার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেকারণেই হয়তো তড়িঘড়ি লোকালট্রেন পরিষেবা চালু করার সিদ্ধান্ত।

একাধিক ক্ষেত্রে ছাড়
সিনেমা হল, জিমে ৭০ শতাংশ করা হয়েছে। অর্থাৎ ৭০ শতাংশ দর্শক নিয়ে সিনেমা হল চালানো যাবে। আবার জিমেও একসঙ্গে ৭০ শতাংশ ব্যক্তি একসঙ্গে কাজ করতে পারবেন। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত নাইট কার্ফু বহাল রাখা হয়েছে। তবে কালীপুজো ও ছট পুজোর সময় নাইট কার্ফু শীথিল থাকবে। করোনা সংক্রমণ যখন রাজ্যে বাড়তে শুরু করেছে তখনএকাধিক বিষয়ে ছাড় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। এত কিছুতে ছাড় দেওয়ায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ফেল বেড়ে যাবে বলে মনে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিয়ের অনুষ্ঠানে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত জমায়েতে অনুমতি। কালীপুজো, দীপাবলির জন্য ২-৫ নভেম্বর রাত্রিকালীন কড়াকড়িতে ছাড়। ছটপুজোর জন্য ১০-১১ নভেম্বর রাত্রিকালীন কড়াকড়িতে ছাড় ঘোষণা করা হয়েছে।

বাজি পোড়ানো নিষেধ
এদিকে কালীপুজোয় বাজি পোড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাইকোর্ট। আলোর উৎসবে মাতুক রাজ্যবাসী। কোনও রকম বাজি পোড়ানো যাবে না বলে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। গতকাল কালীপুজোর দিন ২ ঘণ্টা বাজি পোড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দূষণ ছড়াবে দাবি করে বাজি পোড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications