বাংলার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আবারও, মমতার সরকারের মুকুটে চারটি স্কচের সম্মান
বাংলার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আবারও, মমতার সরকারের মুকুটে চারটি স্কচের সম্মান
বাংলার জন্য আরও আন্তর্জাতিক পুরস্কার নিয়ে এল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। ফের সেরার মুকুট জুড়ল বাংলার মাথায়। বাংলার শিক্ষা দফতরের পর পর্যটন ও বন দফতরও এবার স্কচ পুরস্কারে ভূষিত হল। মঙ্গলবার রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর, উচ্চশিক্ষা দফতর ও পর্যটন দফতর স্কচ গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিল। এবার স্কচ সিলভার অ্যাওয়ার্ড পেল রাজ্যের বন দফতর।

করোনার বিশ্ব মহমারীর সময়ও পড়ুয়াদের জন্য ভালো কাজ করা ও শিক্ষা বিস্তারের স্বীকৃতি স্বরূপ রাজ্যের শিক্ষা দফতর জোড়া আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেল। রাজ্যের স্কুলশিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা দুটি বিভাগই এবার স্কচ গোল্ডেন পুরস্কারেরে জন্য মনোনীত হয়েছিল। সেই সেরার স্বীকৃতির পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে জানান, রাজ্যের পর্যটন দফতরও স্কচ গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছে।
রবিবার আরও এক সুখবর এল। রাজ্যের শিক্ষা দফতর ও পর্যটন দফতরের গোল্ডেন স্কচ পুরস্কার প্রাপ্তির পর স্কচ সিলভার পুরস্কার জুটল বন দফতরের। এর ফলে তিনমাসের মধ্যে রাজ্যের মোট আটটি দফতর স্কচ পুরস্কার পেয়েছিল। এবার চারটি র মধ্যে তিনটি গোল্ড ও একটি সিলভার। এর আগে চারটির মধ্যে একটি প্লাটিনাম, একটি গোল্ড ও দুটি সিলভার ছিল।
রাজ্যের উপকূলীয় অঞ্চলের উপর দিয়ে সম্প্রতি একাধিক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় বয়ে গিয়েছে। কখনও ফণী, কখনও আমফান, কখনও ইয়াস বিধ্বস্ত হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর ও দুই ২৪ পরগনার সুন্দরবন অঞ্চল। যার জেরে ম্যানগ্রোভ অঞ্চল পর্যন্ত তছনছ হয়ে গিয়েছে। সেই ম্যানগ্রোভ উদ্ধারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েচেন। ৫০ কোটি ম্যানগ্রোভ চারা লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই কাজের স্বীকৃতি মিলল স্কচ পুরস্কারে।
আর ২০২০-র মার্চ থেকে করোনা ভাইরাসের প্রকোপের কারণে প্রায় দু-বছর হতে চলল রাজ্যের স্কুল, কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। রাজ্যের পড়াশোনার মান বজায় রাখতে এই করোনাকালেও শিক্ষা দফতর কাজ করে চলেছে নিরন্তর। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নেতৃত্বে শিক্ষা বিস্তারের কাজ জারি রয়েছে বাংলায়। লোভাবেই শিক্ষার পরিস্থিতি সামলেছেন সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিক ও কর্মীরা। স্কচ পুরস্কার প্রাপ্তি রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থার ভালো কাজের স্বীকৃতি।
কোভিড পরিস্থিতিতে স্কুল বন্ধ হলেও মিড ডে মিল চালু ছিল। অভিভাবকদের মাধ্যমে তা বণ্টন করা হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। কোনও প্রকল্পই বন্ধ হয়নি। তার উপর উচ্চশিক্ষাতেও দেশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে টেক্কা দিয়েছে বাংলা। করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে বিকল্প পথে পড়াশোনা চালিয়ে নিয়ে গিয়েছে বাংলার শিক্ষা দফতর। তারই স্বীকৃতি এই আন্তর্জাতিক স্কচ পুরস্কার।
শুধু রাজ্যের শিক্ষা দফতরই নয়, স্কচ গোল্ডেন পুরস্কার পেয়েছে রাজ্যের পর্যটন দফতরও। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই সুখবর দিয়েছেন টুইট করে। পর্যটন দফতরের সৌন্দর্যায়ন বাংলায় আলাদা মর্যাদা পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে। পর্যটন মানচিত্রে যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন ক্ষেত্র। করোনাকালেও পর্যটনকে সঠিকভাবে ব্যবহার করেছে সরকার। তার স্বীকৃতিও পেল বাংলা।












Click it and Unblock the Notifications