পাহাড়ের 'নতুন' রাজনৈতিক শক্তি কি তৃণমূলের পথের কাঁটা, বিমল গুরুং-বিনয় তামাংকে হুঁশিয়ারি নিয়ে জল্পনা
পাহাড়ের 'নতুন' রাজনৈতিক শক্তি কি তৃণমূলের পথের কাঁটা, বিমল গুরুং-বিনয় তামাংকে হুঁশিয়ারি নিয়ে জল্পনা
পাহাড়ে (darjeeling hill) কি নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান, সেখানকার জুজুধান দুই গোষ্ঠীকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার জেরেই জল্পনা তৈরি হয়েছে। ইউনাইটেড ক্রিশ্চিয়ান মাইনরিটি অর্গানাইজেশনের (United christian minority organisation ) তরফে জানানো হয়েছে, যদি বিমল গুরুং (bimal gurung) এবং বিনয় তামাং (bjnay tamang) হাত না মেলান তাহলে তারা তিনটি আসনেই আলাদা করে প্রার্থী দেবে।

পুজোর পরে পাহাড়ে গুরুং
পুজোর সময় কলকাতায় আর তার পরে পাহাড়ে প্রত্যাবর্তন হয় বিমল গুরুং-এর। দীর্ঘদিন তিনি অজ্ঞাতবাসে ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ইউএপিএ-সহ একাধিক ধারায় মামলা রয়েছে। কলকাতায় সামনে এসেই তিনি একদিকে যেমন বিজেপির সমালোচনা করেছিলেন, ঠিক তেমনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, পাহাড়ের পাশাপাশি ডুয়ার্সেও তিনি তৃণমূলের হয়ে প্রচার করবেন। অন্যদিকে সরকারের তরফ থেকে বিমল গুরুং-এর বিরুদ্ধে থাকা একাধিক মামলা তুলে নেওয়ার ইঙ্গিতও দেওয়া হয়।

মানতে পারেনি বিনয় তামাং গোষ্ঠী
বিমল গুরুং-এর এইভাবে ফিরে আসাকে মেনে নিতে পারেনি বিনয় তামাম গাষ্ঠী। তারাই এখন জিটিএ-তে ক্ষমতাসীন। নিজেদের অস্তিত্ব জাহির করতে পাহাড়ে মিছিল করেছে দুপক্ষই। সূত্রের খবর অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও চান দুই গোষ্ঠী হাত মিলিয়ে কাজ করুন। কিন্তু তা এখনও হয়ে ওঠেনি। দুই গোষ্ঠীই জানিয়ে গিয়েছে, তারা তিনটি আসনেই প্রার্থী দেবে।

ধন্ধে তৃণমূলও
পাহাড়ে ভোট ১৭ এপ্রিল। তৃণমূল ২৯১টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু এখনও পাহাড়ের তিন আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারেনি মোর্চা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বর্তমান পরিস্থিতিতে তৃণমূলও ধন্ধে পড়েছে, কাকে সমর্থন করা হবে তা নিয়ে। একটি অংশ বিমল গুরুংকে সমর্থন করতে চাইলেও, অপর এক অংশ চায় বিনয় তামাংকে সমর্থন করতে।

মমতার অনুগত সংগঠন
ইউনাইটেড ক্রিশ্চিয়ান মাইনরিটি অর্গানাইজেশন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগত। তৃণমূলের তরফে পাহাড়ের তিনটি আসন, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং আসন তিনটি গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেখানে বিরোধ রয়েছে বিমল গুরুং এবং বিনয় তামাং-এর মধ্যে। সেখানে যদি দুতরফই প্রার্থী দেয়, তাহলে বিজেপির সুবিধা। ফলে তাঁদেরকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময় দিয়ে হুঁশিয়ারি। মোর্চার দুই শিবির হাত না মেলালে আলাদা প্রার্থী দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইউনাইটেড ক্রিশ্চিয়ান মাইনরিটি অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান এস সুব্বা।












Click it and Unblock the Notifications