নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রীর ওপরে 'হামলা', মমতাকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার প্রস্তাব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের, খবর সূত্রের
নন্দীগ্রামের (nandigram) বিরুলিয়া বাজারে হামলার অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee)। তারপরেই কেন্দ্রের (home ministry) তরফে তাঁকে জেড প্লাস নিরাপত্তা (security) দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হ
নন্দীগ্রামের (nandigram) বিরুলিয়া বাজারে হামলার অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee)। তারপরেই কেন্দ্রের (home ministry) তরফে তাঁকে জেড প্লাস নিরাপত্তা (security) দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই নিরাপত্তায় সাধারণভাবে থাকেন সিআরপিএফ-এর এলিট গ্রুপের সদস্যরা। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব রাজ্যের মুখ্যসচিবের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে সূত্রের খবর।

জেড প্লাসে যা যা থাকে
জেড প্লাস নিরাপত্তায় ৫৫ জন নিরাপত্তাকর্মী থাকেন। এঁদের মধ্যে ১০ জনের বেশি এনএসজি কমান্ডো থাকেন। বাকিরা পুলিশকর্মী। ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের তরফে এই ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া হয়। এর অপর নাম হল ব্ল্যাক ক্যাট। এই দলে সিআরপিএফ-এর জওয়ানরা থাকেন। দেশে ভিভিআইপিদের এই ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া হয়ে থাকে।

ষড়যন্ত্রের অভিযোগ মমতার
দুপুরে হলদিয়ায় মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর বিকেলে তিনি নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজার দিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তিনি ছিলেন চালকের আসনের পাশে একেবারে বা-দিকে। হাত নাড়তে নাড়তে যাচ্ছিলেন তিনি। মন্দিরে পুজো দিয়ে বিরুলিয়া বাজারে তিনি গাড়ি থেকে নামেন। সেই সময় হঠাই গাড়ির দরজা গিয়ে পড়ে তাঁর ওপরে। ঘাড়ে ও পায়ে আঘাত পান মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, চার-পাঁচজন চক্রান্ত করে হামলায় চালিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, সেই সময় কোনও পুলিশ আধিকারিক সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। এমন কী এসপিও না। এটা একটা ষড়যন্ত্র, অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সাধারণ মানুষের মধ্যে থেকেই চার-পাঁচজন দরজা ঠেলে দেন।

এসএসকেএম-এ ভর্তি মুখ্যমন্ত্রী
নন্দীগ্রাম থেকে গ্রিন করিডোর করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ছয় বিভাগীত প্রধানকে নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। পাশেই বাঙুর ইনস্টিটিউট অপ নিউরোলজিতে তাঁর এমআরআই করা হয়। তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান রাজ্যপাল। হাসপাতালে যান ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং মুখ্যসচিবের কাছ থেকে ঘটনার আপডেট চেয়ে পাঠিয়েছেন।

রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন
মুখ্যমন্ত্রী নন্দীগ্রামেই জানিয়েছিলেন তিনি নির্বাচন কমিশনে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ দায়ের করবেন। তবে অভিযোগ দায়ের করার আগেই, নির্বাচন কম্িশনের তরফে এই ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর প্রচার সূচি অনুযায়ী, তাঁর আরও একদিন নন্দীগ্রামে থাকার কথা ছিল।
রাজ্যে আটদফার নির্বাচন হতে চলেছে। ২৭ মার্চ, ১ এপ্রিল, ৬ এপ্রিল, ১০ এপ্রিল, ১৭ এপ্রিল, ২২ এপ্রিল, ২৬ এপ্রিল, ২৯ এপ্রিল ভোট রয়েছে। ভোট গণনা ২ মে।












Click it and Unblock the Notifications