প্রাদেশিকতার সংকীর্ণ রাজনীতি করছেন! মমতাকে নিশানা করে বিস্ফোরক রাজীব
ডুমুরজলার সভার পরে বারুইপুরের সভা থেকেই বিস্ফোরক বিজেপি (bjp) নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় (rajib banerjee)। এদিন তিনি বলেন, রাজ্যের অবস্থা কোথায় গিয়েছে ভাবতে অবাক লাগে। রাজ্যে স্থায়ী চাকরি নেই, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা
ডুমুরজলার সভার পরে বারুইপুরের সভা থেকেই বিস্ফোরক বিজেপি (bjp) নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় (rajib banerjee)। এদিন তিনি বলেন, রাজ্যের অবস্থা কোথায় গিয়েছে ভাবতে অবাক লাগে। রাজ্যে স্থায়ী চাকরি নেই, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রাদেশিকতার সংকীর্ণ রাজনীতির অভিযোগও তুলেছেন।

তৃণমূল দেউলিয়া, পায়ের তলায় মাটি নেই
এদিন বারুইপুরে ঢোকার সময় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীদের কালো পতাকা দেখায় তৃণমূল কংগ্রেস। যার জেরে এদিন নিজের ভাষণের শুরুতেই রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বর্তমানে তৃণমূলের দেউলিয়া অবস্থা এদিনই প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। ওদের পায়ের তলার মাটি নেই। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে যে কেউ নিজের মতো করে রাজনৈতিক দলে যোগ দিতেই পারেন। তবে সভা করতে দেখলেই ভয়. পাচ্ছেন, সবাই কালো পতাকা দেখাচ্ছে। সভার ভিড় দেখে তিনি বলেন, তিনি বারুইপুরে অনেকবার অনেক কাজে এসেছেন। তবে এদিনের ভিড় থেকে প্রমাণিত বারুইপুরের মাটি বিজেপির দুর্যয় ঘাঁটি।

বিজেপির গলায় ফুলের মালা বাড়বে
এদিন তিনি ডোমজুড়ে নিজের কেন্দ্রে তাঁর ছবিতে তৃণমূলের জুতোর মালা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তোমরা যতই জুতোর মালা পরাবে, আগামী দিনে মানুষ ততই বিজেপির গলায় ফুলের মালা পরাবে। মানুষ বিজেপির পাশে গিয়ে দাঁড়াবে। এদিন তিনি রাজ্যে স্থায়ী চাকরি না থাকার ব্যাপারে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, বাংলায় প্রায় পাঁচলক্ষ স্থায়ী পদ তুলে দেওয়া হয়েছে। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেই। বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলার বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য স্থায়ী চাকরির ব্যবস্থা করবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

কাজ করতে না পারলে চলে যাব
রাজ্য সরকার শিল্পের ব্যবস্থা করেনি বলে অভিযোগ করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্র ও রাজ্যের একসঙ্গে কাজ করার কথা বলেন। তিনি বলেন মানুষের পাশে থাকতে কেন্দ্রের সঙ্গে সদভাব রাখেনি রাজ্য। কেন্দ্রের সাহায্য না নিয়ে কৃষক সম্মাননিধিতে বাংলাকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। রাজীব বলেন, অমিত শাহ তাঁকে কথা দিয়েছেন, বিজেপি ক্ষমতায় আশলে রাজ্যে ঢালাও উন্নয়ন হবে। একইসঙ্গে তিনি বলেন, তাদের ৫ বছর সময় দেওয়া হোক। যদি কাজ করতে না পরেন, তাহলে চলে যাবেন।

সংকীর্ণ প্রাদেশিকতার রাজনীতির অভিযোগ
তৃণমূল ত্যাগের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি হাতে নিয়ে কেঁদেছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সেই রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। তিনি বলেন, আপনি কাজ দিতে পারছেন না, তাই যুবসমাজ বাইরে চলে যাচ্ছে। আপনি সাম্প্রদায়িকতার চেয়েও বেশি বড় আগুন জ্বালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সংকীর্ণ প্রাদেশিক রাজনীতি করার অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সতর্ক করে গিয়ে তিনি বলেছেন রাজ্য পুড়ে ছাড়খাড় হয়ে যাবে। প্রসঙ্গত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের চার প্রান্তে চার রাজধানীর দাবি করে, সংসদের অধিবেশন এই চার জায়গায় করার দাবি করেছিলেন। এদিন তারই পাল্টা দিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications