বিকল্প পদ্ধতিতে মমতাও দেবেন 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান! ভবিষ্যতে পিসি-ভাইপোর 'দশা' নিয়ে কটাক্ষ রাহুলের
ভবিষ্যতে তৃণমূল (trinamool congress) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) জয় শ্রীরাম (jai shree ram) স্লোগান দেবেন। তাঁরাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিয়ে জয় শ্রীরাম বলিয়ে ছাড়বেন। এমনটাই মন্তব্য করলেন বিজেপি (
ভবিষ্যতে তৃণমূল (trinamool congress) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) জয় শ্রীরাম (jai shree ram) স্লোগান দেবেন। তাঁরাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিয়ে জয় শ্রীরাম বলিয়ে ছাড়বেন। এমনটাই মন্তব্য করলেন বিজেপি (bjp) নেতা রাহুল সিনহা (rahul sinha)।

জয় শ্রীরাম বলিয়ে ছাড়ব
জয় শ্রীরাম নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিয়ে জয় শ্রীরাম বলিয়েই ছাড়বেন। চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন তিনি। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, জয় শ্রীরাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে গালি। কিন্তু আজ হোক কিংবা কাল, তাঁকে (মমতা) দিয়ে জয় শ্রীরাম বলানো হবে। তিনি আরও বলেন, যাঁরা জয় শ্রীরাম বলতে পারেন না, তাঁদের মরা বলিয়ে রাম নাম উচ্চারণ করানো হবে। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, পিসি ভাইপোকে নামাবলি পরিয়ে কপিল মুনির আশ্রমে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জয় শ্রীরাম নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
জয় শ্রীরাম ধ্বনি শুনলেই ক্ষেপে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৯-এর নৈহাটিতে দলীয় কর্মসূচিতে যাওয়ার পরে তাঁর কনভয় দেখে বিজেপি কর্মীরা জয় শ্রীরাম স্লোগান দেন। মুখ্যমন্ত্রী কনভয় থামিয়ে সেইসব বিজেপি কর্মীর দিকে তেড়ে গিয়েছিলেন। সাম্প্রতিক সময় বড় ঘটনাটি ঘটে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন ২৩ জানুয়ারি। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে সংস্কৃতি মন্ত্রকের আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নিমন্ত্রিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীও। সেখানে বক্তা হিসেবে মমতা বন্দ্যাপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা হতেই, দর্শকদের একাংশ জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়ে ওঠেন। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী পোডিয়ামের দিকে এগিয়ে গিয়ে বলেন, তিনি সেখানে ভাষণ দেবেন না। এব্যাপারে শুভেন্দু অধিকারী নিজের প্রতিটি সভাতেই বলে থাকেন, মাননীয়া জয় শ্রীরাম ধ্বনি শুনলেই ক্ষেপে যান।

রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কটাক্ষ
রাহুল সিনহার সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করতে দেওখা গিয়েছে প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। তিনি বলেন, এদেশে সংবিধান অনুযায়ী কারও অন্য কোনও দলে যোগ দেওয়ায় বাধা নেই। যে কেউ অন্য কোনও দলে যোগ দিতেই পারেন। কিন্তু এই রাজ্যে যদি কেউ তৃণমূল ছাড়েন তখন তিনি শত্রু হয়ে যান। তিনি বলেন, ২০১১ সালে এই শাসকদলই বলেছিল বদলা নয়, বদল চাই। কিন্তু এখন বদলা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তৃণমূলে ভাল ছেলে বলে পরিচিত রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতাকে নিশানা রাজীবের
দলবদল নিয়ে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন। তিনি প্রশ্ন করেন, দলনেত্রী নিজে আগে কোন দলে ছিলেন, তিনি কোন দল করতেন ? তিনি নিজে কতবার এনডিএ ও ইউপিএ-র হাত ধরেছেন, প্রশ্ন করেন রাজীব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওয়াশিং মেশিনের জবাবে রাজীব বলেন, প্রথম ওয়াশিং মেশিন বসিয়ে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আরও প্রশ্ন, ইউএপিএতে অভিযোগ ছত্রধর মাহাত এবং বিমল গুরুংরা কোনও ওয়াশিং মেশিনে পরিষ্কার হলেন?












Click it and Unblock the Notifications