মমতার ওপরে 'হামলা' নিয়ে কমিশনে রিপোর্ট বিশেষ পর্যবেক্ষকের, সামনে এল 'নতুন' তথ্য
মমতার ওপরে 'হামলা' নিয়ে কমিশনে রিপোর্ট বিশেষ পর্যবেক্ষকের, সামনে এল 'নতুন' তথ্য
নন্দীগ্রামে (nandigram) বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (mamata banerjee) পায়ে আঘাত পাওয়া বিস্তারিত রিপোর্ট জমা পড়ল নির্বাচন কমিশনে। এব্যাপারে রিপোর্ট দিয়েছেন নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা (election observer) । এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে, সেখানে পায়ের আঘাতকে দুর্ঘটনা জনিত (accidental) বলেই বর্ণনা করা হয়েছে।

বিশেষ পর্যবেক্ষকের রিপোর্ট
সূত্রের খবর অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনে বিশেষ পর্যবেক্ষকের দেওয়া রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে আঘাত দুর্ঘটনাজনিত কারণে। সেখানে হামলাজনিত আঘাতের কথা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কেননা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলার কোনও প্রমাণ সেখানে পাওয়া যায়নি। বিশেষ পর্যবেক্ষকের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার সময়ে বড় সংখ্যক পুলিশি ঘেরাটাপের মধ্যে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে এবং বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজার পরিদর্শন করে নির্বাচন কমিশনে তাঁদের বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিয়েছেন।

মুখ্যসচিবের রিপোর্টে অসন্তুষ্ট কমিশন
এদিকে বুধবার নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে ঘটনা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনে যে রিপোর্ট মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় পাঠিয়েছিলেন, তাতে নির্বাচন কমিশন অসন্তুষট বলেই জানা গিয়েছে। ফলে কমিশনের তরফ থেকে মুখ্যসচিবের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী মুখ্যসচিব তাঁর রিপোর্টে বলেছিলেন গাড়ির দরজা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়েরও ওপরে গিয়ে পড়েছে। কিন্তু আগেকার রিপোর্টে দরজাটা কীভাবে মুখ্যমন্ত্রীর পায়ের ওপরে গিয়ে পড়েছিল তা তিনি উল্লেখ করেননি. ফলে নির্বাচন কমিশন মনে করছে মুখ্যসচিবের রিপোর্ট অস্পষ্ট এবং সেখানে গুরুত্বপূর্ণ বিররণের অভাব রয়েছে।

রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তৃণমূলের
শুক্রবার তৃণমূলের এক প্রতিনিধি দল দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে যায়। সেখানে তাঁরা দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে আঘাত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। পরে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা বিজেপির এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।

সোমবার থেকে প্রচারে মমতা
শুক্রবার সন্ধেয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে বাড়িতে গিয়েছেন। চিকিৎসকরা তাঁকে আরও ৪৮ ঘন্টা পর্যবেক্ষণে থাকার কথা বলেছিলেন বলেই জানা গিয়েছে। তবে তা মানতে রাজি নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার থেকেই তিনি হুইল চেয়ারে বসেই প্রচার শুরু করে দিতে চান। সেক্ষেত্রে তাঁর প্রথম সভা হতে চলেছে ঝাড়গ্রামে।












Click it and Unblock the Notifications