আব্বাস জোটে শরিকি কাঁটা, বিরোধিতায় কংগ্রেসও, ভাবনা আলিমুদ্দিনে
দিন যত এগোচ্ছে ততই চাপ বাড়াচ্ছে আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (indian secular front)। ৭০ টি আসনের দাবিতে এখনও অনড় তারা। সিপিএম (left) ইতিমধ্যে জানিয়েছে, বামেদের তরফে তারা ২৭ টি আসন দিতে পারে। যার মধ্যে রয়ে
দিন যত এগোচ্ছে ততই চাপ বাড়াচ্ছে আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (indian secular front)। ৭০ টি আসনের দাবিতে এখনও অনড় তারা। সিপিএম (left) ইতিমধ্যে জানিয়েছে, বামেদের তরফে তারা ২৭ টি আসন দিতে পারে। যার মধ্যে রয়েছে শরিকদের ৭ টি আসন। তবে আব্বাসের দাবিকে আমল দিতে রাজি নয় কংগ্রেস (congress) । নতুন গঠন হওয়া দলের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা।

আব্বাস জোটে শরিকি কাটা
জোট হচ্ছিল বাম-কংগ্রেসের। এসে জুড়ে বসল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। যারা কিনা জানুয়ারির শুরুতে জানিয়েছিল হায়দরাবাদের মিমের সঙ্গে সমঝোতায় যাবে তারা। এরমধ্যে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র ঘোষণা করে দিলেন, তিনি আব্বাস সিদ্দিকিকে সাম্প্রদায়িক বলে মনে করেন না। জোটে আব্বাসকে নিতে সেরকম রাজি ছিল না কংগ্রেস। তবে বামেদের চাপেই সিদ্ধান্ত নিয়ে বাধ্য হয় তারা। এদিকে সিপিএম-এর তরফে ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, বামেদের তরফে তারা আব্বাস সিদ্দিকির দলকে ২৭ টি আসন ছাড়তে প্রস্তুত। এর মধ্যে রয়েছে, শরিকদের ৭ টি আসন। ফরওয়ার্ড ব্লকের ৪ টি, আরএসপির ২ টি এবং সিপিআই-এর ১ টি আসন। যা নিয়ে অবশ্য এইসব শরিকরা প্রতিবাদ জানিয়েছে। আব্বাসকে কেন প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শরিকরা।

আইএইসএফ-এর আল্টিমেটাম
সত্তরটি আসন দাবি করে আল্টিমেটাম দিয়েছে আইএসএফ। সূত্রের খবর অনুযায়ী সেখান থেকে নেমে আসলেও ৫০ টি আসন তাদের চাইই। তারা বলেছে, ৭ টি জেলায় সমীক্ষা চালিয়েই তারা এই দাবি তুলেছে। সাত জেলার মধ্যে রয়েছে, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। তারা জানিয়ে দিয়েছেন, দাবি পূরণ করা না হলে ২৮ ফেব্রুয়ারি তারা ব্রিগেডের সমাবেশে যোগদান করবে না।

আব্বাসের আচরণ নিয়ে ক্ষোভ কংগ্রেসের
আব্বাসের আচরণ নিয়ে বাম-কংগ্রেসের বৈঠকে কংগ্রেস ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বলে সূত্রের খবর। তারা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে আইএসএফ-এর দাবি মানা সম্ভব নয়। উদাহরণ দিয়ে তারা বলেছে, আব্বাস সিদ্দিকে যেমন মালদহের গণিখানের স্মৃতি বিজড়িত সুজাপুর আসন দাবি করেছে, অন্যদিকে বীরভূমে জনপ্রিয় নেতা মিল্টন রশিদের আসনও দাবি করেছে। পাশাপাশি জলঙ্গির মতো আসন সিপিএম ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও কার্যত প্রশ্ন তুলেছে তারা। আসন রফা নিয়ে হওয়া একটা বৈঠকেই আসেননি আব্বাস। পাশাপাশি দীর্ঘদিন সংসদীয় রাজনীতিতে যুক্ত থাকা আব্দুল মান্নানের মতো নেতার ফোনও আব্বাস সিদ্দিকিরা না ধরায় প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। নতুন দলের এত দাবি কোথা থেকে হতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস।

শনিবার ফের আলোচনা
এদিন আসন বন্টন নিয়ে আলোচনায় বসতে চলেছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু এবং কংগ্রেসের প্রদীপ ভট্টাচার্য। জানা গিয়েছে, বামেরা চাইছে চল্লিশের অনেক কম আসনে আব্বাসকে সীমাবদ্ধ রাখচে। আর এমধ্যে তারাই ২৭ টি আসন দিয়ে বসে আছে আব্বাস সিদ্দিকিকে। বাকিটা দাবি করছে কংগ্রেসের কাছে।












Click it and Unblock the Notifications