অধীর আর আব্বাসকে ভিন্ন চোখে দেখছে সিপিএম, জোটের ব্রিগেডকে কটাক্ষ ফিরহাদের

বাম-কংগ্রেস-আব্বাসের (left-cong-abbas) জোটের ব্রিগেড হলেও, মঞ্চেই অস্বস্তি প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। যা নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস (trinamool congress)। এদিন ফিরহাদ হাকিম (firhad hakim) বলেছেন, অধীর আর আব্বাসকে ভিন্

বাম-কংগ্রেস-আব্বাসের (left-cong-abbas) জোটের ব্রিগেড হলেও, মঞ্চেই অস্বস্তি প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। যা নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস (trinamool congress)। এদিন ফিরহাদ হাকিম (firhad hakim) বলেছেন, অধীর আর আব্বাসকে ভিন্ন চোখে দেখছে সিপিএম। তাঁর মতে ব্রিগেডে ভিড় হওয়া মানেই মানুষের সমর্থন, এটা কেউ মনে করলে ভুল করবেন।

আব্বাস আসতেই জনতার একাংশের উন্মাদনা

আব্বাস আসতেই জনতার একাংশের উন্মাদনা

এদিন আব্বাস সিদ্দিকি ব্রিগেডের সমাবেশে আসতেই সেখানে উপস্থিত জনতার একাংশের মধ্যে উন্মাদনা দেখা দেয়। তাঁদের সবাই আব্বাস কিংবা ভাইজান বলে চিৎকার করতে থাকেন। অন্যদিকে তিনি মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই বাম নেতাদের অনেকেই এগিয়ে গিয়ে পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকিকে স্বাগত জানান। সেই তালিকায় সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র, আরএসপি নেতা মনোজ ভট্টাচার্য, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুই, সবাই ছিলেন।

মঞ্চেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি

মঞ্চেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি

তবে মঞ্চেই তৈরি হয় অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। সেই সময় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ভাষণ থামিয়ে দেন। সিপিএম পলিটব্যুরোর সদস্য মহঃ সেলিম অধীর চৌধুরীর কাছে গিয়ে আব্বাস সিদ্দিকিকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। কিন্তু অধীর চৌধুরী সেই সময় বলেন, তিনি আর ভাষণ দেবেন না। সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতির সামাল দেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। তাঁর কথাতেই অধীর চৌধুরী নিজের ভাষণ ফের শুরু করেন। আর অধীর চৌধুরী ভাষণ শেষ করার পরেই ভাষণ দিতে ওঠেন। তিনি শুরুতেই বলেন, তাঁর দলের কর্মী সমর্থকরা রক্ত দিয়ে বলেও বাম শরিকদের হয়ে প্রচার করবেন। তবে সেখানে তিনি কোথাও কংগ্রেসের নাম করেননি। তবে শেষে এর কারণও ব্যাখ্যা করেন তিনি। বলেন বামেরা তাদেরকে ৩০ টি আসন ছাড়লেও কংগ্রেসের সঙ্গে এখনও তাদের কোনও সমঝোতা হয়নি।

ফিরহাদ হাকিমের কটাক্ষ

ফিরহাদ হাকিমের কটাক্ষ

এই ঘটনা কারোরই নজর এড়ায়নি। যা নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ফিরহাদ হাকিম। এদিন তিনি বলেন, আব্বাস সিদ্দিকি মঞ্চে আসার পরে সিপিএম নেতারা উঠে দাঁড়ালেও, অধীর চৌধুরীর ক্ষেত্রে তা করেনি। তিনি বলেন, বামপন্থীদের হাতে হাজার হাজার কংগ্রেস কর্মী মারা গিয়েছেন। এখন তাঁরা হাত মিলিয়েছেন।

ব্রিগেড ভরলেই সমর্থন নয়

ব্রিগেড ভরলেই সমর্থন নয়

অধীর চৌধুরী যেমন বলেছেন, তাঁর কাছে এদিনের ব্রিগেড ঐতিহাসিক। কেননা এত জনগণের সামনে তিনি কোনওদিন ভাষণ দেননি। ভিড়ের কথা উল্লেখ করেছেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরিও। যদিও ফিরহাদ হামিক মনে করেন, ব্রিগেডে মানুষের ভিড় মানেই মানুষের সমর্থন পাওয়া নয়। তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ১৯৯৩ সালে যুব কংগ্রেস যে ব্রিগেড করেছিল, তারপর দিনই তাদের ক্ষমতায় আসার কথা ছিল। তিনি দাবি করেন, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরেই মানুষের ভরসা তারা অর্জন করেছেন। তিনি আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন, সেটা বাংলার মানুষই বাংলার দেওয়ালে লিখে দিয়েছেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+