অভিষেকের স্ত্রী রুজিরার ওপর চাপ বাড়াচ্ছে সিবিআই, দিল্লি থেকে নাগরিকত্ব নিয়ে তথ্য তলব
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (abhishek banerjee) স্ত্রী রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (rujira naroola banerjee)ওপরে চাপ বাড়ানোর কৌশল সিবিআই-এর (cbi)। কয়লা কাণ্ডে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের দিনই নাগরিকত্ব সম্পর্কে জানতে স্বরাষ্
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (abhishek banerjee) স্ত্রী রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (rujira naroola banerjee)ওপরে চাপ বাড়ানোর কৌশল সিবিআই-এর (cbi)। কয়লা কাণ্ডে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের দিনই নাগরিকত্ব সম্পর্কে জানতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে (home ministry) চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই-এর দাবি নাগরিকত্বের (citizenship) জন্য করা দুটি আবেদন বাবার নামের জায়গায় দুই নাম দিয়েছিলেন রুজিরা।

নাগরিকত্বের জন্য আবেদনে গলদ
সূত্রের খবর অনুযায়ী, ২০১০ এব ২০১৭, দুবছরে দুবার নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছিলেন রুজিরা নারুলা। দুবারে বাবার নামের জায়গায় একবার লিখেছিলেন নিপন নারুলা এবং আরেকবার লিখেছিলেন গুরসরণ আহুজা। নাগরিকত্বের বিস্তারিত জানতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে এদিন চিঠি দিয়েছে সিবিআই।

আদতে থাইল্যান্ডের বাসিন্দা রুজিরা
রুজিরা নারুলা আদতে থাইল্যান্ডের বাসিন্দা। ২০১০ সালে এমবিএ পড়তে তিনি দিল্লিতে আসেন। সেই সময় তিনি প্রথমবার নাগরিকত্বের জন্য এবং প্যান কার্ডের জন্য আবেদন করেছিলেন। ২০২০-র মার্চে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক তাঁকে পিআইও এবং অন্য নথিতে ত্রুটি থাকার কারণে নোটিশ দিয়েছিল। ( পিআইও-র অর্থ হল পার্সন অফ ইন্ডিয়ান অরিজিন। পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভূটান, শ্রীলঙ্গা, নেপাল, চিন ও ইরানের বাসিন্দাদের ব্যতীত বিদেশি নাগরিক যাঁর কাছে ভারতীয় পাসপোর্ট রয়েছে।) ২০১০ সালে থাইল্যান্ডে থাকা ভারতীয় হাই কমিশন রুজিরাকে পিআইও কার্ড দিয়েছিল।

পিআইও থেকে ওসিআই-এর জন্য আবেদন
পরে রুজিরা পিআইও থেকে তা ওভারসিজ সিটিজেনশিপ অফ ইন্ডিয়ার (ওসিআই) জন্য আবেদন করেন। ( ওসিআই-এর অর্থ হল কোনও ভারতীয় বংশোদ্ভুত নিজের স্বামী কিংবা স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে এদেশে বসবাস করতে পারেন, কাজ করতে পারেন অনির্দিষ্টকালের জন্য। কেনা ভারতীয় সংবিধানে দ্বৈত নাগরিকত্বের বন্দোবস্ত নেই। ওসিআই হোল্ডাররা ভারতীয় নাগরিক হতে পারেন না। সাংবিধানিক কোনও পদও তারা পান না। কোনও সরকারি চাকরিও তারা করতে পারেন না। কৃষিজমিতে বিনিয়োগও করতে পারেন না তাঁরা।)
২০১০ সালে রুজিরা যখন পিআইও-র জন্য আবেদন করেছিলেন তখন সেখানে বাবার নাম দিয়েছিলে নিপন আর যখন পিআইও থেকে ওসিআই-এ আবেদন করেন, তখন সেখানে বাবার নাম দিয়েছিলেন গুরসরণ।
২০১৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি তার বিয়ের সার্টিফিকেটে দেওয়া তথ্য নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল বলে উল্লেখ করেছে একটি সর্বভারতীয় পোর্টাল।

সিবিআই-এর জিজ্ঞাসাবাদ
রবিবার দেওয়া নোটিশ এবং পরবর্তী সময়ে রুজিরার দেওয়া সময় মতো এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই আধিকারিকরা। তবে তাঁরা সন্তুষ্ট হতে পারেনি বলে সূত্রের খবর। বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানেন না কিংবা জানা নেই বলে উল্লেখ করেছেন বলে সূত্রের খবর। সিবিআই মূলত তাঁকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং তাতে লেনদেন সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিল।












Click it and Unblock the Notifications