বিজেপির প্রার্থী নিয়ে আলোচনায় নেই দুই কাণ্ডারী, তালিকা প্রকাশের দিন নিয়ে জল্পনা
বিজেপির (bjp) প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা (candidate list) প্রকাশ করা হতে পারে ৪ কিংবা ৫ মার্চ। সোমবার শহরের এক পাঁচতারা হোটেলে বৈঠকে বসেছিলেন বিজেপির নেতারা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেখানে ঠিক হওয়া নাম পাঠানো হয়েছে ব
বিজেপির (bjp) প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা (candidate list) প্রকাশ করা হতে পারে ৪ কিংবা ৫ মার্চ। সোমবার শহরের এক পাঁচতারা হোটেলে বৈঠকে বসেছিলেন বিজেপির নেতারা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেখানে ঠিক হওয়া নাম পাঠানো হয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। ৪ মার্চ বিজেপির সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সেই প্রার্থী তালিকা অনুমোদিত হবে। তবে আলোচনায় দুই কাণ্ডারী না থাকায় জল্পনা তৈরি হয়েছে।

বিজেপির প্রার্থী তালিকা নিয়ে বৈঠক
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিজেপির তরফে এর আগে রাজ্যের ১৩০ টি কেন্দ্রের জন্য প্রার্থী তালিকা পাঠানো হয়েছিল দিল্লিতে। তবে সেই তালিকায় প্রথম দফার নির্বাচনের জন্য ৩০ টি আসনের সব প্রার্থীর নাম ছিল না। কেন্দ্র পিছু তিনজন করে প্রার্থী নাম নিয়ে আলোচনা করার পর প্রথম দফার নির্বাচনের জন্য তালিকা দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে। তবে তার আগে প্রার্থীদের নাম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। সংগঠনের তরফে রিপোর্টও নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও অমিত শাহও আলাদা করে সমীক্ষা করিয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। সেই রিপোর্টও প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সময়ে নজরে রাখার সম্ভাবনা।

৪ কিংবা ৫ মার্চ তালিকা প্রকাশ
সূত্রের খবর অনুযায়ী, ৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বাধীন সংসদীয় কমিটির বৈঠকে আলোচনায় সেই তালিকার চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে। সেদিন রাতে কিংবা পরের দিন বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে।

ব্রিগেডের সভা নিয়েও আলোচনা
বিজেপির বৈঠকে ব্রিগেডের সভার প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাজ্য নেতৃত্বের তরফে প্রত্যেক বুথ থেকে ২১ জন করে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা বেধে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে ৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে যে ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে, তাকে ঐতিহাসিক রূপ দেওয়া হবে।

বৈঠকে কারা ছিলেন, কারা ছিলেন না
সোমবারের বৈঠকে কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ, শিবপ্রকাশের মতো নেতারা হাজির ছিলেন। বৈঠকে অমিত শাহের দূত হিসেবে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদব। জেলা এবং জোনের পর্যবেক্ষকরা ছাড়াও বেশ কিছু সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ছিলেন বৈঠকে। তবে ওই বৈঠকে মুকুল রায় এবং শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন না।












Click it and Unblock the Notifications