মমতার ইস্তেহার নিয়ে কটাক্ষ, কেন বিরোধিতা 'অঙ্গীকার' ধরে ধরে স্পষ্ট করলেন শমীক
মমতার ইস্তেহার নিয়ে কটাক্ষ, কেন বিরোধিতা 'অঙ্গীকার' ধরে ধরে স্পষ্ট করলেন শমীক
তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফিরতে এদিন ইস্তেহার প্রকাশ করলেন তৃণমূল (trinamool congress) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) । যা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য (shamik bhattacharya)। তিনি দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় সরকারের নানা প্রকল্পকেই নাম বদল করে তুলে ধরা হয়েছে ইস্তেহারে।

তৃণমূলের ইস্তেহার প্রকাশ মমতার
এদিন বিকেলে কালীঘাটের বাড়ি থেকে তৃণমূলের ইস্তেহার প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, আগেকার দুটি ইস্তেহারে যা বলা হয়েছিল তার ১১০ শতাংশ কাজ করা হয়েছে। এবারের ইস্তেহারে ১০ টি বিষয়ে অঙ্গীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ইস্তেহার প্রতিটি পরিবারে ন্যূনতম আয় সুনিশ্চিত করতে যেমন ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে ঠিক তেমনই ১৮ বছর বয়সেই যদি কেউ বিধবা হয়ে যান, তাহলে তাঁকে মাসে হাজার টাকা করে বিধবা ভাতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। রেশন এবার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের জন্য বছরে একর পিছু ১০ হাজার টাকা করে সাহায্যের কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও মাহিষ্য, তিলি, সাহা-সহ বেশ কয়েকটি সম্প্রদায়কে ওবিসির তালিকাভুক্ত করতে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তরাই ডুয়ার্স ডেভেলপমেন্ট বোর্ড তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দুয়ারে সরকার নিয়ে প্রশ্ন
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন এবার তেকে বছরে দুবার দুয়ারে সরকার কর্মসূচি নেওয়া হবে। একটি হবে অগাস্ট সেপ্টেম্বর এবং অপরটি হবে নভেম্বর-ডিসেম্বরে। এই বিষয়টিকেই কটাক্ষ করেছেন বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, যদি ২০১২ সালেই ৯০ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি কেন?

কেন্দ্রীয় প্রকল্পই তৃণমূলের ইস্তেহারে
এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্প স্থান পেয়েছে তৃণমূলের ইস্তেহারে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও এই অভিযোগটি বিজেপির দীর্ঘদিনের। বাড়ি তৈরির প্রকল্পই হোক কিংবা শৌচাগার, রাজ্যের সরকার নাম বদল করেছে বলে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

বাংলায় কর্মসংস্থান নেই
মুখ্যমন্ত্রী এদিন দাবি করেছেন, ক্ষুদ্রশিল্পে দেশের মধ্যে সব থেকে বেশি চাকরি হয়েছে এই রাজ্য। তা ছাড়াও ১০০ দিনের কাজে এই রাজ্য প্রথম। এব্যাপারে শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, রাজ্যে যে কাজ নেই এই রিপোর্টেই তা প্রমাণ। তিনি আরও বলেছেন, তৃণমূলের ইস্তেহার থেকেই প্রমাণিত এই সরকারের কোনও শিল্পনীতি কিংবা জমিনীতি নেই। তাঁর প্রশ্ন পরবর্তী প্রজন্ম কি শুধু ২ টাকা কেজি চাল খেয়েই থাকবে, নাকি নিজের পয়সায় চাল কিনে খাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারবে।












Click it and Unblock the Notifications