কয়লা কাণ্ডে টাকার 'রুট' জানতে চায় সিবিআই, 'লালা ঘনিষ্ঠ' ব্যবসায়ীর হাজিরা নিজাম প্যালেসে
কয়লা কাণ্ডে (coal scam) মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ( Anup Majhi) ওরফে লালা পলাতক। কিন্তু তাঁকে কারা সহযোগিতা করতেন, কীভাবেই বা সেই টাকা বাজারে খাটতো, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সিবিআই (cbi) । যা নিয়ে শুক্রবার তল্লাশি চালান
কয়লা কাণ্ডে (coal scam) মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ( Anup Majhi) ওরফে লালা পলাতক। কিন্তু তাঁকে কারা সহযোগিতা করতেন, কীভাবেই বা সেই টাকা বাজারে খাটতো, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সিবিআই (cbi) । যা নিয়ে শুক্রবার তল্লাশি চালানোর পরে এবার সমন পেয়ে সিবিআই অফিসে হাজিরা দিতে গিয়েছেন ব্যবসায়ী রণধীর বার্নওয়াল (Randhir Barnwal)।

শুক্রবার বাড়ি ও অফিসে হানা সিবিআই-এর
সূত্রের খবর অনুযায়ী, সিবিআই আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, কয়লা কাণ্ডে কালো টাকা বাজারে বিনিয়োগে মদত করতেন রণধীর বার্নওয়াল। এক্ষেত্রে রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি একাধিক আধিকারিক এই চক্রে জড়িয়ে রয়েছেন বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তার সঙ্গে অনুপ মাঝির ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। শুক্রবার রণধীর বার্নওয়ালের বাঁশদ্রোণীতে ব্যবসায়ীর বাড়ি এবং কলকাতার অফিসে তল্লাশি চালায় সিবিআই।

শনিবার হাজিরা নিজাম প্যালেসে
তল্লাশি চালানোর পরেই ওই ব্যবসায়ীকে শনিবার নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে বলা হয়। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সিবিআই ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে জানতে চায় কারা ওই চক্রে জড়িত রয়েছে। তাঁর কাছ থেকে সমস্ত ব্যাঙ্ক ডিটেলস চাওয়া হয়েছে। কার কাছ থেকে তিনি কত টাকা নিয়েছিলেন এবং কোথায় কোথায় বিনিয়োগ করেছিলেন তারও তলাশ পেতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জিজ্ঞাসাবাদে নতুন তথ্য উঠে আসবে বলেও মনে করছেন সিবিআই আধিকারিকরা।

শুক্রবার বড় অভিযান রাজ্য জুড়ে
কয়লা কাণ্ডকে সামনে রেখে শুক্রবার বড় অভিযানে নামে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং ইডি। দুর্গাপুর, আসানসোলের পাশাপাশি কলকাতাতেও অভিযান চলে। মোট ১৬ টি জায়গায় অভিযান চলে। অভিযানে অংশ নেনে দিল্লি থেকে আসা আধিকারিকরাও। লালা ঘনিষ্ঠ সুবাস অর্জুনের অফিসে হানা দিয়ে সিবিআই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পায় বলেই সূত্রের দাবি। সেই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে , কয়লা কাণ্ডের টাকা পৌঁছে যেত কয়েকজন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকের কাছে। টাকা পৌঁছত বাঁশদ্রোণীর ব্যবসায়ীর কাছে। এরপরেই ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালায় সিবিআই।

সিবিআই জেরা করেছে অভিষেকের স্ত্রী রুজিরাকে
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত রবিবার নোটিশ দেওয়ার পরে সোমবার অভিষক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যালিকা মেনকা গম্ভীর এবং মঙ্গলবার স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করেছে সিবিআই। ঘটনার পর থেকে বিজেপি ও তৃণমূলের রাজনৈতিক চাপানউতোর বেড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এব্যাপারে জনসভা থেকে সুর চড়িয়েছেন মোদী-অমিত শাহদের বিরুদ্ধে। কেন্দ্রীয় সরকার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, বিজেপির তরফে বলা হয়েছে, তারা আগেই অভিযোগ করেছিল তারা। এবার সবই প্রকাশ্যে আসছে। যদিও অভিযোগ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, সিবিআই তাঁকে কিছুই করতে পারবে না।












Click it and Unblock the Notifications