NRS কাণ্ডে গণ ইস্তফার ডাক দিয়ে রাজ্যপালের দ্বারস্থ জুনিয়র চিকিৎসকরা , পদত্যাগ ১৮ জনের
সোমবার গভীর রাতে এক রোগীর মৃত্য়ু ঘিরে এনআরএস-এ পৌঁছে কার্যত তাণ্ডব চালায় রোগীর আত্মীয়রা। মারধর করা হয় একাধিক চিকিৎসককে।
সোমবার গভীর রাতে এক রোগীর মৃত্য়ু ঘিরে এনআরএস-এ পৌঁছে কার্যত তাণ্ডব চালায় রোগীর আত্মীয়রা। মারধর করা হয় একাধিক চিকিৎসককে। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এনআরএস চত্বর। এরপর ধরনায় বসেন এনআরএস-এর ছাত্ররা। তার ৩ দিন কেটে যাওয়ার পর এদিন এসএসকেএম -এগিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিকিৎকদের দুপুর ২ টোর মধ্যে কাজে ফেরার নির্দেশ দেন। বিকেল ৪ চের মধ্যে পরিস্থিতি সুষ্ঠু করে ফেলার কথা বলেন। যে বক্তব্যকে জুনিয়ার ডাক্তাররা 'হুমকি' বলে মনে করছে। এর জেরেই এবার রাজ্য জুড়ে গণ ইস্তফার দাবি উঠেছে চিকিৎসক মহলে।

মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ছিল, বিকেল ৪ টের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে দিতে হবে রাজ্যের সমস্ত ক'টি মেডিক্যাল কলেজের। যার প্রেক্ষিতে অনড় জুনিয়ার ডাক্তারদের দাবি, তাঁদের কাছে 'নিঃশর্তে ক্ষমা চাইতে হবে মুখ্যমন্ত্রী'কে। পাশাপাশি, নিজেদের অবস্থান থেকে সরে না এসে, জুনিয়ার ডাক্তাররা গণইস্তফার রাস্তায় হাঁটতে চলেছেন। এদিকে, গোটা রাজ্যের একাধিক মেডিক্যাল কলেজে মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও পরিষেবা চালু হয়নি বলে খবর উঠে আসতে শুরু করেছে।
এদিকে, আজ জুনিয়ার চিকিৎসকদের একাংশ রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে নিজেরেদের নিরাপত্তার বিষয়ে কয়েকটি দাবি দাওয়া জানিয়েছেন। পাশাপাশি, গণইস্তফার হুমকিও দিয়েছেন তাঁরা। অন্যদিকে, সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজের ১৮ জন চিকিৎসক ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন বলে খবর। সবমিলিয়ে এনআরএস কাণ্ডের জেরে যেমন রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থা ধরাশায়ী হয়ে গিয়েছে, তেমনই ক্ষোভ এখনও বাড়ছে জুনিয়ার চিকিৎসকদের মধ্যে।












Click it and Unblock the Notifications