শর্তসাপেক্ষে করোনা আক্রান্ত মৃতের দেহ পাবে পরিবার, নয়া নির্দেশিকা জারি করল 'মানবিক' স্বাস্থ্য দফতর
গোটা দেশে ভয়াবহ হচ্ছে করোনার সংক্রমণ। প্রত্যেকদিনই দেশজুড়ে রেকর্ড সংখ্যক মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মৃতের সংখ্যাও। দেশের পাশাপাশি রাজ্যেও করোনার চোখ রাঙানি। একদিকে ভয়ঙ্কর করোনার সংক্রমণ। অন্যদিকে রাজ
গোটা দেশে ভয়াবহ হচ্ছে করোনার সংক্রমণ। প্রত্যেকদিনই দেশজুড়ে রেকর্ড সংখ্যক মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মৃতের সংখ্যাও। দেশের পাশাপাশি রাজ্যেও করোনার চোখ রাঙানি। একদিকে ভয়ঙ্কর করোনার সংক্রমণ। অন্যদিকে রাজ্যে মৃতের সংখ্যা দেখে আতঙ্ক বাড়ছে চিকিৎসকদের।
চিকিৎসকদের একাংশের মতে, প্রত্যেকদিন বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এখনই যদি এই অবস্থা হয় তাহলে তৃতীয় ওয়েভ আসলে কি পরিস্থিতি হবে সেটা নিয়েই চিন্তার ভাঁজ পড়ছে কপালে। এই অবস্থায় সৎকার নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার।

সৎকার নিয়ে রাজ্যের নির্দেশিকা
করোনায় বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। সমস্ত রেকর্ড ভেঙে আজ শনিবার গত ২৪ ঘন্টায় ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সর্বাকালীন রেকর্ড এই সংখ্যা। শ্মশান সহ বিভিন্ন জায়গাগুলিতে ক্রমশ বাড়ছে শবের পাহাড়। এই অবস্থায় মৃতদেহ সৎকার নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার। স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, করোনায় মৃতের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। তবে তা শর্ত সাপেক্ষে। শর্ত অনুযায়ী দেহ হাসপাতাল থেকে দূরে কোথাও নিয়ে যেতে পারবে না পরিবার। ওই এলাকারই আশেপাশে কোথাও দাহ করতে হবে বা কবর দিতে হবে। এবং সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেই সৎকারের ব্যবস্থা করতে হবে। আজ শনিবার দুপুরে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

বাড়িতে নিয়ে যাওয়া চলবে না
করোনায় মৃতের দেহ পরিবারকে দেওয়া হলেও মানতে হবে কড়া নির্দেশিকা। একজন করে নোডাল অফিসার থাকবেন। তিনি পুরোটা নজর রাখবেন। এমনটাই জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে স্বাস্থ্য দফতর এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। জারি করা নির্দেশিকাতে জানানো হয়েছে যে, যদি পরিবারের লোকজন মৃতের দেহ অন্য কোথাও নিয়ে গিয়ে সৎকার করতে চায়, তবে সেক্ষেত্রে সোজা সেই এলাকারই শ্মশানে বা কবরস্থানে নিয়ে যেতে হবে। বাড়িতে নিয়ে যাওয়া চলবে না। কড়া ভাবে এই বিষয়টি নির্দেশিকাতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশপাশি নির্দেশিকা জানাচ্ছে, মৃতের দেহ অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া হলে ব্লকস্তরে নিযুক্ত সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেই তা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শ্মশান বিজ্ঞপ্তিতে কড়া নির্দেশ কোভিড-বিধি মেনেই সৎকার করতে হবে।

আরও এক নির্দেশিকা স্বাস্থ্য দফতরের
খুব সংকটজনক অবস্থায় কোনও রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে রোগীর চিকিৎসা করার পাশাপাশি তিনি করোনা আক্রান্ত কি না, তা দেখে নিতে হবে। কারণ যদি তাঁর মৃত্যু হয়, তবে সে ক্ষেত্রে হাসপাতাল থেকে দেহ ছাড়ার সময়ে যাতে কোনও সমস্যা না তৈরি হয় সেই জন্যই এই নির্দেশ।

একনজরে বাংলার করোনা পরিসংখ্যান
স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ১৯৪৩৬ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা গতদিন পর্যন্ত ছিল ৯ লক্ষ ৫৪ হাজার ২৮২ জন। এদিন ১৯৪৩৬ জন বেড়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ লক্ষ ৭৩ হাজার ৭১৮ জন। রাজ্যে করোনা সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২২০৩। এদিন মৃত্যু হয়েছে ১২৭ জনের। সর্বকালীন রেকর্ড মৃত্যু এটি।












Click it and Unblock the Notifications