রাজ্যে করোনায় মৃত্যু কমলেও কলকাতায় সংক্রমণ সব থেকে বেশি! একনজরে জেলাগুলির পরিসংখ্যান
রবিবার ২১ নভেম্বর রাজ্যে করোনা (coronavirus)আক্রান্তের সংখ্যা আগের দিনের থেকে সামান্য বেড়েছে। তবে মৃত্যু সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। এদিন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭২৭ জন। সুস্থতার হার রয়েছে একই, ৯৮.৩০%।
রবিবার ২১ নভেম্বর রাজ্যে করোনা (coronavirus)আক্রান্তের সংখ্যা আগের দিনের থেকে সামান্য বেড়েছে। তবে মৃত্যু সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। এদিন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭২৭ জন। সুস্থতার হার রয়েছে একই, ৯৮.৩০%। এদিন সুস্থ হয়েছেন ৭৪৫ জন।

একনজরে বাংলার করোনা পরিসংখ্যান
স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ৭২৭ জন। শনিবার যা ছিল ৭২৫ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ লক্ষ ০৯ হাজার ৮৪৫ জন। রাজ্যে করোনা সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯, ৩৮৩। এদিন মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। শনিবার সংখ্যাটা ছিল ১২।

মোট আক্রান্তের নিরিখে পরিসংখ্যান
রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট আক্রান্ত ১৬ লক্ষ ০৯ হাজার ৮৪৫ জনের মধ্যে এই মুহূর্তে সক্রিয় করোনা রোগী ৮০২০ জন। এদিন সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে ২৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা মুক্ত হয়েছেন ৭৪৫ জন। মোট করোনা মুক্ত হলেন ১৫ লক্ষ ৮২ হাজার ৪৪২ জন।

কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় করোনা পরিসংখ্যান
কলকাতায় এদিন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ২১৩ (২০১)। উত্তর ২৪ পরগনায় ১৪৭ (১২৫) জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। করোনায় শুধু কলকাতায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫২১৩ জন। আর উত্তর ২৪ পরগনায় মৃতের সংখ্যা ৪৮৯৮। কলকাতায় এদিন সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৯ জন।
এদিন পর্যন্ত কলকাতায় মোট করোনা আক্রান্ত ৩,২৭, ১৩৩। শনিবার কলকাতায় ৩ জনের মৃত্যুর পরে এদিন মৃতের সংখ্যা ১। এখন পর্যন্ত করোনা মুক্ত হয়েছেন মোট ৩,১৯, ৭২৫ জন। এখনও সক্রিয় করোনা আক্রান্ত ২১৯৫ জন।
উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত ৩,৩২, ২০৬ জন। এদিন মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। এখন পর্যন্ত করোনা মুক্ত হয়েছেন মোট ৩, ২৫, ৯২৭ জন। এখনও সক্রিয় করোনা আক্রান্ত ১৩৮১ জন। এদিন তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ১৮ জন।

কোন জেলায় দৈনিক কত সংক্রমণ
(ব্রাকেটে আগের দিনের আক্রান্তের সংখ্যা)
গত ২৪ ঘন্টায় আলিপুরদুয়ারে ৪ (২), কোচবিহারে ১৯ (১৭) , দার্জিলিং ২৯ (৩৯), কালিম্পং ১ (১) , জলপাইগুড়ি ২০ (১৯), উত্তর দিনাজপুরে ২ (৮), দক্ষিণ দিনাজপুরে ৭ (১৬), মালদহ ৬ (৪), মুর্শিদাবাদ ৫ (৩), নদিয়া ২১ (২৯), বীরভূম ১৭ (১৩), পুরুলিয়া ২ (১), বাঁকুড়ায় ৮ (২), ঝাড়গ্রাম ৭ (১), পশ্চিম মেদিনীপুর ১২ (১৯), পূর্ব মেদিনীপুর ৯ (৭), পূর্ব বর্ধমান ১৩ (২০), পশ্চিম বর্ধমান ১১ (১৯), হাওড়া ৫৯ (৫৪), হুগলিতে ৫২ (৬৪), উত্তর ২৪ পরগনায় ১৪৭ (১২৫), দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৬৩ ( ৬১) জন আক্রান্ত হয়েছেন।
আক্রান্তের নিরিখে জেলাগুলির মধ্যে এদিন প্রথমে উত্তর ২৪ পরগনা ( ১৪৭), দুনম্বরে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৬৩), তিন নম্বরে হাওড়া (৫৯)।

এদিন ১৮ জেলায় মৃত্যুর খবর নেই
এদিন উত্তরবঙ্গের একমাত্র দার্জিলিং থেকে মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। অর্থাৎ আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহে কোনও মৃত্যু হয়নি এদিন। মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি থেকেও মৃত্যুর কোনও খবর নেই। এদিন সব থেকে বেশি ২ জনের মৃত্যু হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায় ও দক্ষিণ ২৪ পরনায়। এরপরেই ১ জন করে রোগীর মৃত্যু হয়েছে নদিয়া ও দার্জিলিং-এ।
এদিন যে ৭ জেলায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, সেগুলি হল আলিপুরদুয়ার (১), কোচবিহার (৮), দার্জিলিং (১), জলপাইগুড়ি (৭), বীরভূম (৪), ঝাড়গ্রাম (৩), উত্তর ২৪ পরগনা (১৮)।

রাজ্য জুড়ে করোনার পরীক্ষা
রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিনে জানানো হয়েছে এদিন পর্যন্ত করোনা টেস্ট হয়েছে ২ কোটি ৯ হাজার ২৭৭। ১৫৩ টি ল্যাবরেটরিতে এই পরীক্ষা হচ্ছে রাজ্য জুড়ে। এদিন পরীক্ষা হয়েছে ৪০, ০০৭ জনের। মোট পরীক্ষার নিরিখে করোনা সক্রিতার হার ১.৮২ শতাংশ ( শনিবার যা ছিল ২.০১%) । প্রতি ১০ লক্ষে পরীক্ষা হয়েছে ২, ২২, ৩২৫ জনের। আরটিপিসিআর আর অ্যান্টিজেন টেস্টের রেশিও হল ৪৮:৫২।

২১ নভেম্বর ভ্যাকসিন প্রাপকের সংখ্যা
এদিন সারা রাজ্যে ভ্যাকসিন পেয়েছেন ৫,৩০, ৩৮০ জন। প্রথম ডোজ পেয়েছেন ২,৪৬, ২৭৪ জন। দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ২, ৮৪, ১০৬ জন। এদিন পর্যন্ত রাজ্যে ভ্যাকসিন পেয়েছেন ৮, ৭২, ০৭, ৬৬১ জন। যাঁদের মধ্যে প্রথম ডোজ পেয়েছেন ৬, ১৩, ১৩, ২৩৮ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ২, ৫৮, ৯৪, ৪২৩ জন। এদিন রাজ্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার কেন্দ্রের সংখ্যা ৪৪৫৯।












Click it and Unblock the Notifications