রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়লেও কমল মৃত্যু! শীর্ষে কলকাতা, একনজরে জেলাগুলির পরিসংখ্যান
বুধবার ১৭ নভেম্বর রাজ্যে করোনা (coronavirus)আক্রান্তের সংখ্যা আগের দিনের থেকে অনেকটাই বেড়েছ। তবে মৃত্যু সংখ্যা কমেছে। এদিন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬২ জন। সুস্থতার হার রয়েছে একই, ৯৮.৩০%। এদিন সুস্থ
বুধবার ১৭ নভেম্বর রাজ্যে করোনা (coronavirus)আক্রান্তের সংখ্যা আগের দিনের থেকে অনেকটাই বেড়েছ। তবে মৃত্যু সংখ্যা কমেছে। এদিন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬২ জন। সুস্থতার হার রয়েছে একই, ৯৮.৩০%। এদিন সুস্থ হয়েছেন ৮৩০ জন।

একনজরে বাংলার করোনা পরিসংখ্যান
স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ৮৬২ জন। মঙ্গলবার যা ছিল ৮১৯ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ লক্ষ ০৬ হাজার ৬৫৬ জন। রাজ্যে করোনা সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯, ৩৪১। এদিন মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। মঙ্গলবার সংখ্যাটা ছিল ১৪।

মোট আক্রান্তের নিরিখে পরিসংখ্যান
রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট আক্রান্ত ১৬ লক্ষ ০৬ হাজার ৬৫৬ জনের মধ্যে এই মুহূর্তে সক্রিয় করোনা রোগী ৮০৫১ জন। এদিন সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ২৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা মুক্ত হয়েছেন ৮৩০ জন। মোট করোনা মুক্ত হলেন ১৫ লক্ষ ৭৯ হাজার ২৬৪ জন।

কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় করোনা পরিসংখ্যান
কলকাতায় এদিন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ২৩৮ (২৩১)। উত্তর ২৪ পরগনায় ১২২ (১২৯) জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। করোনায় শুধু কলকাতায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫২০২ জন। আর উত্তর ২৪ পরগনায় মৃতের সংখ্যা ৪৮৮৮। কলকাতায় এদিন সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ১২ জন।
এদিন পর্যন্ত কলকাতায় মোট করোনা আক্রান্ত ৩,২৬, ২৪৪। মঙ্গলবার কলকাতায় ৪ জনের মৃত্যুর পরে এদিন মৃত্যুর সংখ্যা ২। এখন পর্যন্ত করোনা মুক্ত হয়েছেন মোট ৩,১৮, ৮৬৪ জন। এখনও সক্রিয় করোনা আক্রান্ত ২১৭৮ জন।
উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত ৩,৩১, ৬১৫ জন। এদিন মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। এখন পর্যন্ত করোনা মুক্ত হয়েছেন মোট ৩, ২৫, ৩৯৩ জন। এখনও সক্রিয় করোনা আক্রান্ত ১৩৩৪ জন। এদিন তালিকা থেকে বাদ গিয়েছেন ২১ জন।

কোন জেলায় দৈনিক কত সংক্রমণ
(ব্রাকেটে আগের দিনের আক্রান্তের সংখ্যা)
গত ২৪ ঘন্টায় আলিপুরদুয়ারে ২ (৩), কোচবিহারে ১১ (১৩) , দার্জিলিং ৩৫ (২৯), কালিম্পং ১ (১) , জলপাইগুড়ি ১২ (১৭), উত্তর দিনাজপুরে ৭ (৭), দক্ষিণ দিনাজপুরে ৩৭ (২১), মালদহ ১৩ (১৮), মুর্শিদাবাদ ২ (৮), নদিয়া ৩৫ (২৩), বীরভূম ৪ (১৩), পুরুলিয়া ৩ (১), বাঁকুড়ায় ২১ (৯), ঝাড়গ্রাম ৩ (১), পশ্চিম মেদিনীপুর ১৫ (১৫), পূর্ব মেদিনীপুর ১৮ (১১), পূর্ব বর্ধমান ২৮ (১৩), পশ্চিম বর্ধমান ৩০ (১৯), হাওড়া ৬৭ (৭১), হুগলিতে ৭৯ (৭৮), উত্তর ২৪ পরগনায় ১২২ (১২৯), দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৭৯ ( ৮৮) জন আক্রান্ত হয়েছেন।
আক্রান্তের নিরিখে জেলাগুলির মধ্যে এদিন প্রথমে উত্তর ২৪ পরগনা ( ১২২), দুনম্বরে হুগলি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৭৯), তিন নম্বরে হাওড়া (৬৭)।

এদিন ১৮ জেলায় মৃত্যুর খবর নেই
এদিন উত্তরবঙ্গ থেকে মৃত্যুর কোনও খবর নেই। অর্থাৎ আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহে কোনও মৃত্যু হয়নি এদিন। মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান এবং হুগলি থেকেও মৃত্যুর কোনও খবর নেই। এদিন সব থেকে বেশি ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। এরপরেই ১ জন করে রোগীর মৃত্যু হয়েছে নদিয়া, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনায়.
এদিন যে ১০ জেলায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, সেগুলি হল দার্জিলিং (৬), দক্ষিণ দিনাজপুর (১৫), মালদহ (১), পুরুলিয়া (১), বাঁকুড়া (১), পূর্ব মেদিনীপুর (৭), পূর্ব বর্ধমান (৮), পশ্চিম বর্ধমান (৮), হুগলি (১০), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৯)।

রাজ্য জুড়ে করোনার পরীক্ষা
রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিনে জানানো হয়েছে এদিন পর্যন্ত করোনা টেস্ট হয়েছে ১ কোটি ৯৮ লক্ষ ৪৪ হাজার ৬৬১। ১৫৩ টি ল্যাবরেটরিতে এই পরীক্ষা হচ্ছে রাজ্য জুড়ে। এদিন পরীক্ষা হয়েছে ৪৩, ৮৫০ জনের। মোট পরীক্ষার নিরিখে করোনা সক্রিতার হার ১.৯৭ শতাংশ ( মঙ্গলবার যা ছিল ২.২১%) । প্রতি ১০ লক্ষে পরীক্ষা হয়েছে ২, ২০, ৪৯৬ জনের। আরটিপিসিআর আর অ্যান্টিজেন টেস্টের রেশিও হল ৪৯:৫১।

১০ নভেম্বর ভ্যাকসিন প্রাপকের সংখ্যা
এদিন সারা রাজ্যে ভ্যাকসিন পেয়েছেন ৫,৬২, ৬৬১ জন। প্রথম ডোজ পেয়েছেন ৩,৫৪, ২৪২ জন। দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৩, ০৮, ৪১৯ জন। এদিন পর্যন্ত রাজ্যে ভ্যাকসিন পেয়েছেন ৮, ৫৪, ৭৩, ৭৯৪ জন। যাঁদের মধ্যে প্রথম ডোজ পেয়েছেন ৬, ০৫, ৫৮, ৩৪১ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ২, ৪৯, ১৫, ৪৫৩ জন। এদিন রাজ্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার কেন্দ্রের সংখ্যা ৪৩৮৭।












Click it and Unblock the Notifications