মানত পূরণ করেছেন সন্তোষী মাতা! উদযাপন করতে শুক্রবারই সিঙ্গুর যাচ্ছেন মমতা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলন একেবারে মোড় ঘুরিয়ে দেয়! সিঙ্গুরে অনিচ্ছাকৃত চাষিদের জমি ফেরানোর দাবিতে দিনের পর দিন অনশন করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে কথা সবার জানা। কিন্তু জানেন এই
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলন একেবারে মোড় ঘুরিয়ে দেয়! সিঙ্গুরে অনিচ্ছাকৃত চাষিদের জমি ফেরানোর দাবিতে দিনের পর দিন অনশন করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে কথা সবার জানা। কিন্তু জানেন এই অনশন শুরু'র দিন মা সন্তোষীমাতা ব্রত শুরু করেন মমতা?

শুধু ব্রত শুরু করাই নয়, কৃষকরা জমি ফেরত পেলে মায়ের মন্দির তৈরি করে দেওয়ার কথাও সেই সময়ে মনে জানিয়েছিলেন সুপ্রিমো। এবার সেই উদযাপন করার পালা। আর তা করতে শুক্রবার সিঙ্গুর যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তবে এই সফর ঘিরেই অন্য গন্ধ পাচ্ছেন বিরোধীরা। বিরোধীদের একাংশের দাবি, সন্তোষী মাতার মন্দির উদ্বোধনের কথা বললেও এর পিছনে অন্য কিছু রয়েছে। বিজেপির দাবি, সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। সিঙ্গুর অন্যতম বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। আর সেই নির্বাচনের আগে ফের একবার সিঙ্গুর উস্কাতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো! এমনটাই দাবি স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের।
আজ ভবানীপুর কাঁসারিপাড়ায় স্থানীয় একটি শীতলাপুজোয় অংশ নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই সিঙ্গুর কথা জানান তিনি। বলেন, আগামীকাল আমি সিঙ্গুর যাব। বাজেমেলিয়া হাসপাতালের পাশে সন্তোষীমায়ের মন্দিরে পুজো দেবেন। আর তা বলতে গিয়ে মমতা জানান, কিছু পার্সোলান কথা থাকে। তা বলা উচিৎ নয়, তাও বলেন... সিঙ্গুরে কৃষকদের জন্যে ২৬ দিন অনশন করেছিলাম। আর সেই অনশন শুরু'র দিন সন্তোষী মাতার ব্রত শুরু করি।
আর সেই সময়ে মনে মনে বলেছিলাম, মা যদি কৃষকরা জমি ফিরে পায় তাহলে একটা ছোট মন্দির গড়ে দেব। আর সেই মন্দিরই আগামীকাল শুক্রবার দেখতে যাওয়ার কথা তৃণমূল সুপ্রিমোর। সম্প্রতি সেই মন্দিরের কাজ শেষ হয়েছে।
অন্যদিকে আরও বেশ কয়েকটি সরকারি কাজও মুখ্যমন্ত্রীর আছে বলে খবর। যার মধ্যে অন্যতম কামারকুন্ডু রেলব্রিজের উদ্বোধন। বাজেমেলিয়া থেকেই এই রেলব্রিজের উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে। কামারকুন্ডু লেভেল ক্রসিং একবার পড়ে গেলে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হত মানুষকে। এই নিয়ে দীর্ঘ ক্ষোভ ছিল এলাকার মানুষের। এই অবস্থায় এই ব্রিজ তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার তা সাধারনের জন্যে খুলে দেওয়া হবে। তবে এই ব্রিজের উদ্বোধন নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। রেল এই ব্রিজের জন্যে ৬০ শতাংশ টাকা দিলেও তাঁদের কাউকে ডাকা হয়নি বলেই খবর। আর তা নিয়েই বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসনের তরফে এই বিষয়ে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে সড়ক পথেই সিঙ্গুর যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই সফর ঘিরেই কড়া নিরাপত্তার মোড়কে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা এলাকা।












Click it and Unblock the Notifications