দুর্গাপুজোর আগেই উপনির্বাচনের জন্য প্রস্তুত এরাজ্য, কমিশনকে জানালেন নির্বাচনী আধিকারিকরা
দুর্গাপুজোর আগেই উপ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত এরাজ্য, কমিশনকে জানালেন নির্বাচনী আধিকারিকরা
রাজ্যের পাঁচটি বিধানসভা উপনির্বাচন ও দুইটি কেন্দ্রে সাধারণ নির্বাচনের দিনক্ষণ ফোকাসে রাখছে বাংলার রাজনীতি। এদিকে, নির্বাচনী আধিকারিকরাও করোনা পরিস্থিতি ও দুর্গাপুজোর ছুটির কথা মাথায় রেখে এই নির্বাচন সংগঠনের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় ৭ কেন্দ্রে উপনির্বাচন নিয়ে এদিন কমিশনের বৈঠকে আলোচনা হয়। সেখানেই রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে পুজোর আগেই এই উপনির্বাচন নিয়ে সমস্তরকমভাবে প্রস্তুত রাজ্য প্রশাসন।

বুধবার দুপুরে এদিন ১৭ টি রাজ্যের উপমুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। এরাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপমুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈনও। এদিনের ভার্চুয়াল বৈঠকে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তারমধ্যে অন্যতম ছিল বাংলার উপনির্বাচনের দিনক্ষণ। মূলত, সেপ্টেম্বরের শেষে রাজ্যে উপ নির্বাচনে হওয়া সম্ভব কি না , তা নিয়ে বহু দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। এদিকে, অক্টোবর পড়তেই রাজ্যে মাঝামাঝি সময়ে দুর্গাপুজোর ছুটি শুরু হবে। তার আগে বাংলায় উপনির্বাচন করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে ছিল জল্পনা। এদিকে, এদিন রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে পুজোর আগে রাজ্যে উপনির্বাচন করতে প্রস্তুত রয়েছে রাজ্য প্রশসান। এদিন একথা কমিশনক জানিয়েছে কেন্দ্র। প্রসঙ্গত, এই উপনির্বচনের মধ্যে বারবার আলাদা করে নডর কেড়েছে ভবানীপুর। যেখান থেকে উপনির্বাচনে মমতার প্রার্থীপদ কার্যত নিশ্চিত। আর এই জায়গা থেকে এই উপনির্বাচন ক্রমাগত বাংলার রাজনীতির ফোকাসে আসছে। কারণ, এর আগে ২০২১ বিধানসভা নির্বাচেন তৃণমূল রাজ্যে বিপুল সাফল্য পেলেও অধিকারী গড় হিসাবে পরিচিত নন্দীগ্রাম থেকে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যান বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। এরপর ভবানীপুর থেকে বিধায়ক হয়ে পড়ে পদটি ছেড়ে দেন তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ফলে নিশ্চিত হয়ে যায় যে ভবানীপুরে নিজের গড় থেকে লড়তে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই জায়গা থেকে অই উপনির্বাচন কার্যত বাংলার রাজনীতিতে চরম গুরুত্বের বিষয়। এদিকে, গত ৫ মে শপথ গ্রহণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে, আইন অনুযায়ী, আর মাত্র ৩ মাসের মধ্যে তাঁকে বিধায়ক পদ নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে হবে। ৫ নভেম্বররের মধ্যে রাজ্যের যে কোনও বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। এই অবস্থায় উপনির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়ে কমিশন কী জানাচ্ছে সেদিকে তাকিয়ে রাজনৈতিকমহল।
এদিকে, সুদীপ জৈন সহ এদিনের বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করা আধিকারিকরা জানিয়ে দেন যে উপনির্বাচনের আয়োজনে রাজ্যের প্রশাসন প্রস্তুত। ইতিমধ্যেই, ভিভিপ্যাটের ফার্স্ট লেভেল চেকিং, ইভিএম খতিয়ে দেখার কাজ শেষ হয়েছে। এদিকে ভোটের প্রস্তুতির মাঝেই কমিশন খেয়াল রাখতে শুরু করেছে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে। বিভিন্ন জেলাশাসকদের কাছ থেকে তাঁদের কাছে যে রিপোর্ট আসছে, তার ভিত্তিতেই ভবানীপুর, খড়দা, গোসাবা, শান্তিপুর, দিনহাটা এই বিধানসভা আসনে উপরনির্বাচন ও সামশেরগঞ্জ, জঙ্গিপুর আসনে ভোটের বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে কমিশন।












Click it and Unblock the Notifications