বাম-কংগ্রেসের কেরলে সংঘাত, বাংলায় জোটের মাঝেই ২৮ এর ব্রিগেডে রাহুল আমন্ত্রিত! হাত-শিবিরের সামনে কোন চ্যালেঞ্জ
বাংলায় জোটের মাঝেই ২৮ এর ব্রিগেডে রাহুলকে আমন্ত্রণ!
একুশের ভোটে দলবদল থেকে তোপ পাল্টা তোপের ঝড়ের মাঝেই বাম কংগ্রেসের জোট একটি অন্যতম ফ্যাক্টর। এদিকে, বাংলার বুকে এই জোট ঘিরে যখন দুই দের কর্মীরা বুক বাঁধছেন, তখনই আবার কেরলে বামেদের একহাত নিতে তৈরি হচ্ছে কংগ্রেস। এমন এক পরিস্থিতির মাঝে ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেডে বাম কংগ্রেসের তাবড় সভা। সেখানে আমন্ত্রিত কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তবে রাহুলের সামনে বিভিন্ন প্রেক্ষাপট থেকে ভোটের বাংলায় একাধিক চ্যালেঞ্জ থেকে যাচ্ছে।

ব্রিগেডের সভা ও রাহুলের সামনে চ্যালেঞ্জ
প্রসঙ্গত, কেরলে যেখানে বাম কংগ্রেস 'ঠাঁই ঠাঁই' , বাংলায় সেখানে দুই শিবির একুশের ভোটে 'ভাই ভাই'! সেই জায়গা থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেডে বাম-কংগ্রেসের তাবড় সভা। সেই সভায় রাহুল ও প্রিয়ঙ্কাও আমন্ত্রিত। তবে, কেরলের পরিস্থিতির বিচারে সেই সভায় গান্ধী পরিবরের এই দুই সদস্য সামিল হবেন কি না তা নিয়ে এখনও কিছু সিদ্ধান্ত কংগ্রেস নেয়নি বলে, সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে 'নিউজ এইট্টিন (ইংরেজি)' এর এক প্রতিবেদনে ।

রাহুলকে নিয়ে কোন অঙ্ক
প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের দুর্গ আমেঠি থেকে হেরে গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। যা কংগ্রেসের দাপটের আঙিনায় একটি বড় ধাক্কা ছিল। এরপর কেরলে থাবা বসানোর টার্গেটে কংগ্রেস। সেই জায়গা থেকে যদি বামেদের সঙ্গে কংগ্রেসের জোটের ব্রিগেডে রাহুল গান্ধী পা রাখেন, তাহলে কেরলে তা কংগ্রেসকে অস্বস্তিতে ফেলবে। ফলে সেই জায়গা থেকে কংগ্রেস শিবির ভাবনা চিন্তা করছে, কারণ কেরলের মাটি দখলে মরিয়া হাত শিবির। কারণ কেরলে রাহুল ওয়েনাদ থেকে জয়ী সাংসদ। আর কেরলের সাংসদে বামেদের সঙ্গে একই মঞ্চে থাকলে মালায়লম ভোট কংগ্রেসকে বিপকে ফেলতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রিয়াঙ্কার কথা ভাবা হচ্ছে বলে দাবি করেছে ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।

মমতা ফ্যাক্টর ও বাংলার ভোট
এদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আগ্রাসী প্রচার করতে চাইছে না কংগ্রেস। কারণ, যদি কংগ্রেসের প্রচারে বিজেপি অ্যাডভান্টেজ পেয়ে যায় একুশের বাংলার ভোটে,তাহলে ২০২৪ এর লোকসভায় কংগ্রেসের জন্য সমস্যা খাড়া করে দিতে পারেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেই দিক থেকে বঙ্গ কংগ্রেস সাবধানী বলে ওই প্রতিবেদন দাবি করছে।

তৃণমূলের সুর ও কংগ্রেস কোনপথে!
এদিকে, এমন এক রাজনৈতিক জটিল অঙ্কের মধ্যে পড়ে, কংগ্রেসের সামনে এই মুহূর্তে হাইভোল্টেজ বিজেপি বিরোধিতাই একমাত্র রাস্তা। কারণ ইতিমধ্যেই তৃণমূলের তরফে কংগ্রেস-বামেদের বিজেপি বিরোধিতা নিয়ে একাট্টা হওয়ার ডাক দেওযয়া হচ্ছে বারবার। সেই জায়গা থেকে আবার একাধিক ইস্যুতে নবান্ন অভিযান করে বামেরা তৃণমূল বিরোধিতার জায়গাটি স্পষ্ট করে দিয়েছে. সেদিক থেকে বামেদের বনধকে সমর্থনও করেছে সঙ্গে কংগ্রেস। এরপর জল কোনখাতে বয়ে যায়, সেদিকে তাকিয়ে বাংলা।












Click it and Unblock the Notifications