নজরে প্রথম দফার ভোট, ২৫ মার্চের মধ্যেই রাজ্যে আসছে আরও ৬৫০ কোম্পানি বাহিনী
নজরে প্রথম দফার ভোট, ২৫ মার্চের মধ্যেই রাজ্যে আসছে আরও ৬৫০ কোম্পানি বাহিনী
প্রথম দফার ভোটের আগেই রাজ্যে পৌঁছে যাবে আরও ৬৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাংলার ভোটে ১০০০ বাহিনী কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একাধিক রাজনৈিতক দলের আবেদন পাওয়ার পড়েই বাংলার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিশেষ ভাবে তৎপর হয়েছে কমিশন এমনই জানিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সুনীল অরোরা।

রাজ্যে আসছে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী
প্রথম দফার ভোটের আগে রাজ্যে আসথে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী। ২৫ মার্চের মধ্যেই রাজ্যে আসছে ৬৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। আগেই ১২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে এসেছে। বর্ধমান, কলকাতা, বীরভূম, দুই ২৪ পরগনা সহ একাধিক জায়গায় রুচ মার্চ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শিলিগুড়ি,দিনাজপুরেও চলছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ। একাধিক রাজনৈতিকর দলের অনুরোধ মেনেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।

দুই মেদিনীপুরে বিশেষ নজর
প্রথম দফাতেই ভোট রয়েছে দু মেদিনীপুরে। এবারে নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে চলেছে দুই মেদিনীপুর। শুভেন্দু অধিকারীর কারণে পূর্ব মেদিনীপুরে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের ক্ষেত্রেও দুই মেদিনীপুরে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে। পূর্ব মেদিনীপুরে মোতায়েন করা হবে ৩১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ৮ মার্চের মধ্যেই রাজ্যে চলে আসছে ১৭০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

৮ দফায় ভোট
আট দফায় ভোট করানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্যে। এক একটি জেলাকে বেশ কয়েক দফায় ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ একাধিক দফায় এক জেলায় ভোট হবে। দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনাতেও একাধিক দফায় ভোট করানো হবে। শুধু মাত্র দক্ষিঁ ২৪ পরগনাতেই ৩ দফায় ভোট হবে। এমনই নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তাতে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপিকে সুবিধা করে দিতেই এভাবে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ভোটে জয়ের চ্যালেঞ্জ
যতই ৮ দফায় রাজ্যে ভোট করানো হোক তৃণমূল কংগ্রেসই জিতবে। ২ মে-র জন্য টুইট সেভ করে রাখতে বলেছিলেন প্রশান্ত কিশোর। ভোট ঘোষণার পরের দিনই এক প্রকার টুইটে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিেয়ছিলেন পিকে। তার কারণেই তৃণমূল কংগ্রেসের পতন শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন একাধিক বিদ্রোহী নেতা। শুভেন্দু থেকে রাজীব সকলেই পিকে কে কাঠ গড়ায় দাঁড় করিয়েই দল ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন।কাজেই এবারের ভোটে নিজেকে প্রমাণ করা বড় চ্যালেঞ্জ প্রশান্ত কিশোরের কাছে।












Click it and Unblock the Notifications