বাবা ছেলের পাশে থাকবে, ছেলে বাবার পাশে থাকবেই, শান্তিকুঞ্জে মাছভাত খেয়ে ইঙ্গিত পূর্ণ বার্তা লকেটের
বাবা ছেলের পাশে থাকবে,ছেলে বাবার পাশে থাকবেই, শান্তিকুঞ্জে মাছভাত খেয়ে ইঙ্গিত পূর্ণ বার্তা লকেটের
বাবা ছেলের পাশে থাকবে, ছেলে বাবার পাশে থাকবেই। শান্তিকুঞ্জে শিশির অধিকারীর বাড়িতে মধ্যাহ্ন ভোজন সেরে ইঙ্গিত পূর্ণ মন্তব্য করলেন বিজেপি নেত্রী শিশির অধিকারী। যদিও শিশির অধিকারীর বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা নিয়ে বিন্দু মাত্র কথা বলতে রাজি হননি তিনি। পুরোটাই সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকার বলে জানিয়েছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। তবে শিশির অধিকারী মতো প্রবীণ ও অভিজ্ঞ নেতা যদি বিজেপিতে আসতে চান তাহলে তাঁকে স্বাগত। তবে তাঁর বাড়িতে যাওয়ার সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন

শান্তিকুঞ্জে লকেট
প্রধানমন্ত্রী ২০ মার্চ সভা করবেন কাঁথিতে। তার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে গিয়েছিলেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। তারপরেই তিনি শান্তিকুঞ্জে যান। সেখানে শিশির অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁর সামনে বসেই মধ্যাহ্ন ভোজন সারেন বিজেপি নেত্রী। শিশির অধিকারী নিজে সামনে বসিয়ে লকেট চট্টোপাধ্যায়কে খাওয়ান। মাছ ভাতের সঙ্গে এলাহি পদের আয়োজন করা হয়েছিল।শুভেন্দু অধিকারীর মায়ের সঙ্গেও কথা বলেছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়।

লকেটের ইঙ্গিত পূর্ণ বার্তা
লকেট চট্টোপাধ্যায়ের শিশির অধিকারীর বাড়িতে যাওয়া নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। যদিও সরাসরি শিশির অধিকারি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কিনা তা নিয়ে কোনও কথা বলেননি বিজেপি নেত্রী। তিনি এটাকে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে জানিয়েছিলেন। এলাকার প্রবীণ নেতা শিশির বাবু। অভিজ্ঞ রাজনীতিক হিসেবে তাঁর আশির্বাদ নিতে গিয়েিছলেন। তবে বাবা সবসময় ছেলের পাশে থাকবে এবং ছেলে বাবার পাশে থাকবেই বলে বার্তা দিয়েছেন। এতে শিশিরের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা আরও পারদ চড়ছে।

শিশিরের প্রতিক্রিয়া
শিশির অধিকারী নিজেও লকেটের তাঁর বাড়িতে আসাকে বড় করে দেখতে চাইছেন না। তিনি বলেছেন অতিথি অপ্যায়ণ এভাবেই করে থাকে অধিকারী পরিবার এর মধ্যে নতুন কিছু নেই। বিজেপিতে যাওয়া নিয়ে তিনি কোনও কথা বলতে চাননি। তবে দলের সঙ্গে যে এখন আর তার কোনও সম্পর্ক নেই সেকথা বলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। দল তাঁদের উপর একের পর এক আক্রমণ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন শিিশর অধিকারী।

শুভেন্দুর প্রচারে কী শিশির
শুভেন্দু অধিকারী প্রার্থী হয়েছেন নন্দীগ্রামে। হাইভোল্টেজ লড়াই চলছে সেখানে। কিন্তু ছেলের প্রচারে কি দেখা যাবে বাবাকে এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শিশির অধিকারী যদিও এই নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলতে চাননি। যদিও বাংলারর রাজনৈতিক মহলে এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। ২০ মার্চ মোদীর সভায় শিশির থাকবেন কিনা সেটা নিয়ে এখন সরগরম রাজনৈতিক মহল।












Click it and Unblock the Notifications