মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোট নিয়ে এবার ময়দানে নির্বাচন কমিশন, পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব
নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের আঘাত ঘিরে তৃণমূল জানিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীকে চার থেকে পাঁচ জন সন্ধ্যে ৬:১৫ মিনিট নাগাদ আঘাত করে। দরজায় আঘাতের তত্ত্বও তুলে ধরেছে তৃণমূল কংগ্রেস। একথা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন তৃণমূলের সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। এদিকে, তাঁর ভোটের লড়াইয়ের ময়দান নন্দীগ্রামের বুকে মমতার এভাবে আঘাত পাওয়ার ঘটনা নিয়ে নির্বাচন কমিশন নেমেছে ময়দানে।

এসএসকেএম প্রস্তুত
জানা গিয়েছে, কলকাতার তিনটি হাসপাতাল এই মুহূর্তে প্রস্তুতিতে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসার জন্য। এদের মধ্যে সম্ভবত এসএসকেএমেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে যাওয়া হবে বলে খবর।

ময়দানে কমিশন
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো ভিবিআইপি ব্যক্তিত্বের কীভাবে এমন চোট লাগল জেড প্লাস সিকিউরিটি থাকা সত্ত্বেও, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের চোট নিয়ে এবার নির্বাচন কমিশন পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট মমতার প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছে বলে খবর।

নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো একজন হাইপ্রোফাইল ব্যাক্তিত্বের নিরাপত্তা নিয়ে কেন এমনটা ঘটে গেল , তা নিয়ে বহু প্রশ্ন রয়েছে। এদিকে, জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপাররে সঙ্গে কথা বলেছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি।

৪-৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানিয়েছেন, তাঁর দরজায় ৪ থেকে ৫ জন ধাক্কা মারে। তাদের ধাক্কাতেই তিনি আঘাত পান। মুহূর্তে শরীরে অসুস্থতা দেখা যায়। গাড়ির সামনের সিট থেকে তাঁকে পিছনের সিটে কার্যত শুইয়েই নিয়ে যাওয়া হয়। এই সমস্ত ঘটনা নিয়েই রাজ্য প্রশাসনের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়েছে বলে খবর।

প্রত্যক্ষদর্শীরা কী বলছেন?
এদিকে সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রত্যক্ষদর্শী হিসাবে নিজেকে পরিচয় দেওয়া চিত্তরঞ্জন দাস জানিয়েছেন, ঘটনার সময় মমতা হাত জোড় করে নিজের গাড়িতে বসে ছিলেন। সেই সময় সামনে একটি পোস্টার ছিল। সেখানে ধাক্কা লেগে গাডির দরজা বন্ধ হয়। এতে মুখ্যমন্ত্রী পায়ে ও মাথায় চোট পান। চিত্তরঞ্জনবাবুর দাবি, ঘটনায় কেউ ধাক্কা মারেনি মুখ্যমন্ত্রীকে।












Click it and Unblock the Notifications