মানিকতলায় বিপক্ষের শট রুখে পদ্ম ফোটাতে আত্মবিশ্বাসী গোলকিপার কল্যাণ
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বাকি আসনগুলির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করা বসিরহাট দক্ষিণের বিদায়ী বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাস টিকিট না পেলেও বিধানসভা নির্বাচনে লড়ার সুযোগ পেলেন কল্যাণ চৌবে। তৃণমূলের খেলা হবে স্লোগানের পাল্টা আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পুরুলিয়ায় এসে বলেছেন, দিদি বলছেন খেলা হবে বিজেপি বলছে বিকাশ হবে, চাকরি হবে ইত্যাদি। লোকসভা নির্বাচনে কৃষ্ণনগরে জিততে না পারলেও দুই প্রধানে খেলা জাতীয় দলের প্রাক্তন গোলকিপার কল্যাণ চৌবে কিন্তু আত্মবিশ্বাসী মানিকতলা আসনে পদ্ম ফোটাতে।

মানিকতলা জমজমাট
কলকাতার মানিকতলা আসনে বিজেপি এবার প্রার্থী করেছে কল্যাণ চৌবেকে। এই আসনটি ১৯৯৬ সালের আগে অবধি ছিল বামেদের শক্ত ঘাঁটি। ১৯৯৬ সালে কংগ্রেসের টিকিটে এবং ২০০১ সালে তৃণমূলের টিকিটে এই কেন্দ্র থেকে জিতে বিধায়ক হন পরেশ পাল। ২০০৬ সালে আসনটি জিতে নেয় বামফ্রন্ট, সিপিআইএমের রূপা বাগচি বিধায়ক হন। যদিও ২০১১ ও ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে জেতেন তৃণমূলের সাধন পাণ্ডে। বিদায়ী ক্রেতাসুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে এবারও তৃণমূল প্রার্থী মানিকতলায়। সিপিআইএমের টিকিটে লড়বেন রূপা বাগচিই। তাঁদের শট রুখে প্রথমবার এই আসনে পদ্ম ফোটাতে কল্যাণে আস্থা রেখেছে বিজেপি।

লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়
২০১৯ সালে কৃষ্ণনগর লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী করেছিল কল্যাণ চৌবেকে। কল্যাণ ৪০.৩৭ শতাংশ ভোট পেলেও ৪৫ শতাংশ ভোট পেয়ে ৬৩,২১৮ ভোটে তাঁকে হারিয়ে সাংসদ হন তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। হেরে গেলেও দলের কাজে যুক্ত থেকেছেন মোহনবাগানের প্রয়াত সচিব অঞ্জন মিত্র-র জামাতা কল্যাণ। এবার মিলল বিধানসভা নির্বাচনের টিকিট।

১০০ শতাংশ আত্মবিশ্বাসী
বিধানসভায় প্রার্থী হবেন বলে আলোচনা চলছিলশীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে। তবে কোন আসনে লড়বেন তা আগে জানতেন না বলেই ওয়ান ইন্ডিয়া বেঙ্গলিকে কল্যাণ চৌবে জানিয়েছেন। তবে জয়ের বিষয়ে তিনি ১০০ শতাংশ আত্মবিশ্বাসী। কল্যাণ বলেন, আমি দলের একজন সক্রিয় কর্মী। গতকাল মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবারে দলীয় কর্মসূচিতে ছিলান। দল যখন যে দায়িত্ব দেবে সে কাজই করব। এখন দল ভোটে প্রার্থী করেছে। নিজের সেরাটা দিয়ে এই আসনটি দলকে তুলে দেব। বিধানসভা আসনে আমাকে প্রার্থী করা নিয়ে বেশ কয়েকবার আলোচনা হয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে। তবে আসন সম্পর্কে আগে আঁচ পাইনি। তবে আমি ভীষণ আত্মবিশ্বাসী। যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে সারা দেশে বিজেপির জয়জয়কার চলছে। ২ মে-র পর বাংলাতেও বিজেপির সরকার হবে। সেই সরকার গড়তে মানিকতলা আসনটিও বিজেপির একটি আসন হবে।

ফুটবলারদের নিয়ে
দীপেন্দু বিশ্বাস যেদিন বিজেপিতে যোগ দেন সেদিন হেস্টিংসে বিজেপির পার্টি অফিসে ছিলেন কল্যাণ। তিনি বললেন, ফুটবলেই আমার পরিচিতি। তাই আমার প্রচারে ফুটবলারদের অনেককেই পাশে পাব। দীপেন্দুও নিশ্চিতভাবেই থাকবেন। সমাজের সব শ্রেণির মানুষকে নিয়ে বিজেপিকে জয়যুক্ত করার আবেদন জানাব। ভোটের ইস্যু নিয়ে কল্যাণ বলেন, গত ১০ বছরে সিন্ডিকেট, কাটমানি, রেশনের চাল চুরি, আমফানের ত্রিপল চুরির মতো ইস্যুর লম্বা তাবিকা রয়েছে। মানুষ সব জানেন। সেই সবই মানুষের সামনে তুলে ধরব।












Click it and Unblock the Notifications