মমতা-শুভেন্দুদের মেগাফাইটের মাঝেই নীতীশ-চিরাগদের দলের নজর বাংলার ভোটে, সমীকরণ কোনদিকে এগোচ্ছে
মমতা-শুভেন্দুদের মেগাফাইটের মাঝেই নীতীশ-চিরাগদের দলের নজর বাংলার ভোটে, সমীকরণ কোনদিকে এগোচ্ছে
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ময়দান যখন নন্দীগ্রামের মেগা ডুয়েলের দিকে যেতে শুরু করেছে, তখনই শোনা যাচ্ছে একঝাঁক গোবলয়ের দল বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে এন্ট্রি নেওয়ার পথে। বাংলার তুঙ্গে ওঠা রাজনৈতিক পারদের মাঝে নয়া সমীকরণ ঘিরে কিছু তথ্য।

কোনদিকে অঙ্ক
ঝাড়খণ্ডের স্থানীয় দল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাকে অবশ্য মমতা আগেই অনুরোধ করেছেন যে তাঁরা যেন ভোটে না দাঁড়ায়। এদিকে,আরজেডি থেকে সমাজবাদী পার্টি ,শিবসেনা জানিয়েছে তারা বাংলার ভোটে লড়বে না, বরং মমতাকে সমর্থন যোগাবে। এমন জায়গা থেকে নয়া অঙ্কের ইঙ্গিত মিলছে বিহারের কিছু রাজনৈতিক দলের গতিবিধিতে।

জেডিইউ ফ্যাক্টর
শোনা গিয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নীতীশ কুমারের জেডিইউ জল মাপতে চেয়েছে। আর সেই জায়গা থেকে তারা পশ্চিমবঙ্গে ২৫ টি আসন বেছে নিয়েছে প্রার্থী দেওয়ার জন্য। একটা সময় সূত্রের দাবি ছিল , বাংলার বুকে এনডিএর তরফে লড়াইয়ে জন্য জেডিইউ বিজেপির হাত ধরতে চেয়েছিল। এ নিয়ে দিল্লিতে নীতীশ কুমার বিজেপি নেতাদের সঙ্গে নিজের বৈঠক করেন বলেও খবর ছিল। তবে সেই দিকে সেভাবে আর কোনও ইঙ্গিত না মেলায় শেষে জেডিইউ সম্ভবত বিজেপির সঙ্গে বাংলার ভোট লড়াইয়ে নামছে। ফলে বিহারে যে পার্টি বিজেপির সঙ্গে থেকে সরকার গড়েছে সেই জেডিইউ এবার বাংলায় বিজেপির বিরুদ্ধে প্রার্থী দিতে পারে।

এলজেপি
শুধুমাত্র নীতীশ বিরোধিতার জেরে বিহারে জেডিইউয়ের বিপক্ষে গিয়ে এনডিএর বাইরে গিয়ে লড়াই করেছে চিরাগ পাসোয়ানের এলজেপি। আর নীতীশরা বাংলার ভোটে প্রার্থী দিচ্ছে যখন , তখন চিরাগের এলজেপিও প্রর্থী দিতে শুরু করছে বাংলায়। ২০১৬ সালের ভোটে পাসোয়ানের পার্টি ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছে। এরপর ২০২১ ভোটে তারা বাংলার সমস্ত আসনে প্রার্থী দেবে বলে জানিয়েছে।

হ্যাম অঙ্ক
বিহারের জিতন রাম মাঝির পার্টি হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা , বাংলার ২৬ টি আসনে প্রার্থী দেবে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে সফর করে ভোটের তাপমাত্রা মেপে গিয়েছেন জিতন রাম। এরপর তাঁর দলের প্রার্থীরা নামছে ভোট ময়দানে।

বড় ফ্যাক্টর মিম!
বিহার নির্বাচনে কার্যত শেষ মুহূর্তে লাইমলাইট কেড়ে নিয়েছিলেন এইআইএমআইএম। বিহারের ভোটে তারা তুখোর স্ট্রাইক রেটে নিয়ে কার্যত বিজেপি বিরোধী পার্টিদেরে মুসলিম ভোটে থাবা কষায়। তবে এবার বাংলার ভোটে তারা কতটা সুখকর পিচ পাবে তা খানিকটা নির্ভর করছে আব্বাস সিদ্দিকির পার্টি আইএসএফএর ওপর। যে পার্টি ইতিমধ্যেই বাম কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। তারপর তারা আবার মিমের সঙ্গে আসবে কি না ,তা লাখ টাকার প্রশ্ন।












Click it and Unblock the Notifications