সুব্রতর দফতরের প্রকল্প চলে গেল সৌমেনের কারিগরি দফতরের হাতে! রাজ্যসরকারের অন্দরমহলে কী ঘটে যাচ্ছে
সুব্রতর দফতরের প্রকল্প চলে গেল সৌমেনের কারিগরী দফতরের হাতে! রাজ্যসরকারের অন্দরমহলে কী ঘটে যাচ্ছে
কেন্দ্রের গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে রাজ্যের কাজে একদম খুশি নয় মোদী সরকার। গোটা দেশে এই কাজের নির্দেশ দিয়েছিল মোদী সরকার। তবে দেখা গিয়েছে এই উন্নয়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা বাংলার। এদিকে, গ্রামোন্নয়নের কাজে যখন বাংলা কোণঠসা তখন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়র দফতর রাজ্যমন্ত্রকগুলির মধ্যেও কোণঠাসা হয়ে যাচ্ছে।

কী ঘটেছে রাজ্য মন্ত্রিসভার অন্দরে
২০১৩,১৪ সালে জনস্বাস্থ্য ও কারগরি দফতর পানীয় জল প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দিয়েছিল রাজ্যের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতকে। তবে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের আওতায় থাকা পঞ্চায়েত দফতরের প্রকল্পর এবার ফের চলে গেল জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর অর্থাৎ সৌমেন মহাপাত্রর দফতরের হাতে।

কোন অভিযোগ উঠছে?
জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত রক্ষণাবেক্ষণের সঙ্গে জড়িত কর্মীদের সঠিকভাবে পারিশ্রমিক দিচ্ছেনা দফতর। তারফলেই ক্ষোভ বাড়ছে, কাজ হচ্ছেনা গ্রামের দিকের বহু জায়গায়। প্রসঙ্গত, ২ থেকে ৩ মাস অন্তর নিয়ম মেনে পঞ্চায়েতকে টাকা পাঠায় সৌমেন মহাপাত্রর দফতর। তারপরেও জলের প্রকল্পের কাজ না হওয়ার ক্ষোভ বেড়েছে রাজ্য সরকারের একাংশে।

হাত শক্ত সৌমেনের!
এদিকে, পঞ্চায়েত কর্মীদের অভিযোগের কথা শুনে পরিস্থিতি বিচার করেন জনস্বাস্থ্য কারিগরী মন্ত্রকের মন্ত্রী। এরপরই প্রকল্পের হস্তান্তর হয়। যার জেরে হাত শক্ত হয় সৌমেন মহাপাত্রের। দাবি একাধিক মহলের।

বিতর্কে সুব্রত মুখোরপাধ্যায়ের দফতর
একদিকে গ্রামোন্নয়ন নিয়ে কেন্দ্র থেকে চাপ। অন্যদিকে, রাজ্যের মধ্যে প্রকল্পের হস্তান্তর নিয়ে রীতিমতো চাপে পড়ে গিয়েছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এমনই দাবি ওয়াকিবহালমহলের। এদিকে , তথ্য বলছে কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রামীন প্রকল্পে সারা দেশে সবচেয়ে কম কাজ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। মাত্র ২৫ শতাংশ কাজ হয়েছে অসমে। বিহারে কাজ হয়েছে ৩৬ শতাংশ। ওড়িশায় কাজ হয়েছে ৪২ শতাংশ আর মহারাষ্ট্রে কাজ হয়েছে ৪৪ শতাংশ। এই সব রাজ্যে অধিকাংশ কাজই অসমাপ্ত হয়ে পড়ে রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications