বাংলায় আষাঢ়-শ্রাবণের মতো বৃষ্টি হতে পারে মাঘেই, ভাসাতে পারে সরস্বতী পুজো! সতর্কবার্তা জারি আবহাওয়া দফতরের
জুলাই অগাস্ট নয়, মাঘের মাঝামাঝি বাংলা (West Bengal) জুড়ে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া (Weather) দফতরের। এদিন বিকেলে জারি করা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি ভারী বৃষ্টির (Rain) সম্ভাবনা। বৃষ্টির জেরে মাঠ
জুলাই অগাস্ট নয়, মাঘের মাঝামাঝি বাংলা (West Bengal) জুড়ে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া (Weather) দফতরের। এদিন বিকেলে জারি করা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি ভারী বৃষ্টির (Rain) সম্ভাবনা। বৃষ্টির জেরে মাঠে থাকা ফসলের ক্ষতির আশঙ্কাও করেছে আবহাওয়া দফতর। এছাড়াও বৃষ্টির জেরে দৃশ্যমানতা কমার পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে।

পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং জলীয় বাষ্পের উপস্থিতির জের
আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, পূর্ব ভারতের দিকে পশ্চিম ঝঞ্ঝা এগোচ্ছে। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢুকছে স্থলভাগের ওপরে। যার প্রভাবে ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস
৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি উত্তরবঙ্গে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে ওই একই সময়ে দক্ষিণবঙ্গেও হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

ভারী বৃষ্টির সতর্কতা
আবহাওয়া দফতরের তরফে বলা হয়েছে, ৩ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। ৪ ফেব্রুয়ারি বজ্রবিদ্যুতের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে।
৪ জানুয়ারি সমগ্র দক্ষিণবঙ্গে একই পরিস্থিতি তৈরি না হলেও, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়া জেলায় বজ্রবিদ্যুত-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

বজ্রপাতের পূর্বাভাস
আবহাওয়া দফতরের তরফে সতর্ক করে বলা হয়েছে ৪ ফেব্রুয়ারি বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়া জেলায় প্রবল ভাবে বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা
আবহাওয়া দফতরের তরফে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এই বৃষ্টির জেরে মাঠে থাকা ফসল কিংবা সবজির ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও দৃশ্যমানতা কমতে পারে। দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় একদিকে যেমন ধসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, অন্যদিকে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

ব্যবস্থা নিতে আহ্বান
আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, মাঠে থাকা যেসব ফসল কাটার সময় হয়ে গিয়েছে, সেগুলিকে কেটে নিতে হবে। এছাড়াও মাঠ থেকে বাড়তি জল বের করার বন্দোবস্ত করতে হবে। এই সময়ে সার কিংবা কীটনাশক ব্যবহার না করাই ভাল। তাতে সেগুলি ধুয়ে যেতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications