উত্তুরে হাওয়ার জায়গায় এবার দখিনা বাতাস, বসন্ত জাগ্রত দ্বারে !শীত-শীত ভাব কতদিন, কী বলছে আবহাওয়া দফতর
কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২০ ডিগ্রির কাছে গিয়ে এদিন ফের অনেকটাই নেমে গিয়েছে এদিন। তবে এই তাপমাত্রা হ্রাসেও আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস দুয়ারে বসন্ত। এই দিন দুয়েক শীতের (winter) পরেই বোঝা যাবে, বসন্তের (spring) আনাগ
কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২০ ডিগ্রির কাছে গিয়ে এদিন ফের অনেকটাই নেমে গিয়েছে এদিন। তবে এই তাপমাত্রা হ্রাসেও আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস দুয়ারে বসন্ত। এই দিন দুয়েক শীতের (winter) পরেই বোঝা যাবে, বসন্তের (spring) আনাগোনা। এবারের মতো জাঁকিয়ে শীতের পালা শেষ হয়ে গিয়েছে বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া (weather) দফতর।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস
এদিন সরস্বতী পুজো। দক্ষিণবঙ্গের তিন জেলায় বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়ায় হাল্কা বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও, অন্য জেলাগুলিতে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে উত্তরবঙ্গের ওপরের পাঁচ জেলা দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং বাকি তিন জেলায় হাল্কা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আর ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্য জুড়েই শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এছাড়াও আগামী দিন দুয়েকে রাতের তাপমাত্রা কমবে রাজ্য জুড়েই। তবে এর পর থেকে তাপমাত্রা নামার সম্ভাবনা প্রায় নেই।

শীতের পালা শেষ
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দিন চারেক পর থেকেই বসন্তের আবহাওয়া অনুভব করবে রাজ্যবাসী। কেননা এবারের মতো জাঁকিয়ে শীতের পালা শেষ। এদিন একধাক্কায় তাপমাত্রা যে প্রায় সাড়ে তিন ডিগ্রির মতো কমেছে, তাতে আরও একটু কমলেও তা ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রির মধ্যেই ঘোরা ফেরা করার সম্ভাবনা। তবে এক ধাক্কায় গরম পড়বে না। আপাতত রাতের দিকে শীতের অনুভব হবে। সেই সঙ্গে দিনের পাশাপাশি রাতের তাপমাত্রাও বাড়তে থাকবে।

উত্তরে হাওয়ার জায়গায় এবার দখিনা বাতাস
এই মুহূর্তে রাজ্যের ওপরে উত্তুরে হাওয়া সক্রিয় রয়েছে। কিন্তু আস্তে আস্তে সেই উত্তুরে হাওয়ার দখল নিতে শুরু করবে দখিনা বাতাস। ইতিমধ্যেই তা নিতে শুরু করলেও পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং বঙ্গোপসাগদর থেকে আসা প্রচুর জলীয় বাষ্পের সামনে তা হার মানে।

তুলনায় উত্তরবঙ্গে শীত বেশি
এবার ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে বারে বারে শীত হার মেনেছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কাছে। উত্তরবঙ্গের তুলনায় দক্ষিণবঙ্গে এর প্রভাব ছিল বেশি। আবার দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে স্বাভাবিক কারণেই শীতের উপস্থিতি বেশি। সারা বছরই শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি কিংবা আলিপুরদুয়ারে রাতের দিকে হাল্কা ঠাণ্ডা অনুভব নয়। এবার দার্জিলিং-এ বেশ কিছুদিন তুষারপাতও হয়েছে। তবে এবার আবহাওয়ার পরিবর্তন এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। ক্যালেন্ডারে বসন্ত আসার কথা ১৪ ফেব্রুয়ারি। তবে তার আগেই রাজ্যবাসীর দুয়ারে বসন্ত আসতে চলেছে বলেই পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের।












Click it and Unblock the Notifications