করোনা আতঙ্কের মধ্যেই কেঁপে উঠল মাটি, বাংলার রাঢ়ু অঞ্চলে ভূমিকম্পের জেরে রাস্তায় মানুষ
করোনা আতঙ্কের মধ্যেই কেঁপে উঠল মাটি, বাঁকুড়ায় ভূমিকম্পের আতঙ্কে রাস্তায় মানুষ
করোনা আতঙ্কের মধ্যেই নতুন বিপত্তি এসে হাজির। হঠাৎ পরপর দু'বার কেঁপে উঠল বাঁকুড়ার মাটি। বুধবার সকালে কম্পন অনুভূত হয় বাঁকুড়া শহরে। ভূমিকম্পের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মুহূর্তে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের কারণেই কেঁপে ওঠে বাঁকুড়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। প্রথম কম্পের পর দ্বিতীয় কম্পন আফটার শকের কারণে।

ভূমিকম্পের মাত্রা
প্রথমবার কম্পন অনুভূত হয় ১১টা ১৯ মিনিট নাগাদ। এই কম্পন দু-সেকেন্ড স্থায়ী হয়েছিল। কম্পনের মাত্রা ৫.৪। এই কম্পনের পাঁচ মিনিট পরে ফের কম্পন অনুভূত হয়। এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.১। এই কম্পনের মাত্রাও ছিল দু-সেকেন্ড।

ভূমিকম্পের উৎসস্থল
দুর্গাপুর থেকে ২১ কিলোমিটার দূরে পশ্চিমে ছিল এই কম্পনের এপিক সেন্টার। এর ফলে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে আশেপাশের জেলাগুলিতেও। বাঁকুড়ার পাশাপাশি মৃদু কম্পন হয়েছে পুরুলিয়া, বর্ধমান প্রভৃতি এলাকায়। প্রথমবার কম্পন অনুভূত হওয়ার পর আতঙ্কে বাড়ি থেকে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর নেই।

আবহবিদরা কী বলছেন
আবহবিদরা জানিয়েছেন, এই ভূমিকম্প পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে ১৫ কিলোমিটার গভীরে উত্তর অক্ষাংশের ২৩.৫ ডিগ্রি এবং দ্রাঘিমাংশে ৮৭.১ ডিগ্রি পূর্বে হয়েছিল। যার ফলে কলকাতা থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে বাঁকুড়া জেলা শহরের মানুষ কম্পন অনুভব করে। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুসারে কোনও হতাহত বা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

ভূমিকম্পের পাশাপাশি দাবানল
এই আতঙ্কের পাশাপাশি আরও এক সংকট দেখা দেয় বাঁকুড়ায়। বাঁকুড়ার শুশুনিয়ার জঙ্গলে আগুন ছড়িয়ে পড়ছে ক্রমশ। সেই আগুন জ্বলছে পাঁচদিনভর। ৩ এপ্রিল আগুন লেগছিল। আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়েছিল জঙ্গলে। পরদিন ৪ এপ্রিল আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও তা সম্পূর্ণ নেভানো যায়নি। বর্তমানে তা আয়ত্ত্বের বাইরে চলে যেতে বসেছে।












Click it and Unblock the Notifications