SSC Case: আপাতত বহাল রাখা হোক চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের, সুপ্রিম রায়ে ‘সাময়িক বদল’ চেয়ে আবেদন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের
SSC Case: এসএসসি রায়ে সাময়িক পরিবর্তন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। সোমবারই শীর্ষ আদালতে আবেদন দাখিল করল পর্ষদ। নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বা এই শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত অবৈধ বলে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত না হওয়া চাকরিহারাকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। এই মর্মে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে আবেদন পর্ষদের।
২০১৬ সালের এসএসসির গোটা নিয়োগ প্যানেলই বাতিল করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। যার জেরে অযোগ্য ও যোগ্য মিলিয়ে চাকরি হারিয়েছেন ২৫ হাজার ৭৫২ জন শিক্ষক। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চের এই রায়ে 'সাময়িক বদল' বা মডিফিকেশন চাইল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। যতদিন না নিয়োগ প্রক্রিয়া পুরোদমে সম্পন্ন হচ্ছে, বা অবৈধরা শনাক্ত হচ্ছেন, ততদিন অন্তত তাদের চাকরিতে বহাল রাখা হোক। এই মর্মে জানানো হয়েছে আবেদন।

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ফলে স্কুল ছাড়ছেন শিক্ষকরা। যোগ্য ও অযোগ্য বাছাই না হওয়ার জেরে সবাই চাকরি হারিয়েছেন। এমএ, বিএড, নেট কোয়ালিফায়েডরাও কাঁদতে কাঁদতে স্কুল ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। এমতাবস্থায় বাংলার সরকারি স্কুলগুলিতে শিক্ষক শিক্ষিকার অপ্রতুলতা দেখা দিয়েছে। এমনিতেই ধুঁকতে থাকা সরকারি স্কুলগুলির শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর সংখ্যা কমে যাওয়াতে স্কুলে পঠনপাঠন কীভাবে হবে সেই প্রশ্ন মাথাচাড়া দিয়েছে। পরীক্ষা নেওয়া ও খাতা দেখা নিয়েও আশঙ্কা।
সোমবার নেতাজি ইন্ডোরে চাকরিহারাদের নিয়ে বৈঠকে অবশ্য মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, "আপনারা কি এখনও বরখাস্তের নোটিস পেয়েছেন? চাকরি করুন না। স্বেচ্ছায় সকলেই কাজ করতে পারেন।" যোগ্যদের কারও চাকরি বাতিল হবে না বলে আশ্বাস মমতার।" চাকরিহারা শিক্ষকদের স্বেচ্ছায় কাজ করার পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর।
চাকরিহারাদের শিক্ষকের চাকরিতে বহাল রাখতে সোমবার আবেদন করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদও। নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বা চলতি শিক্ষাবর্ষের শেষ পর্যন্ত 'যোগ্য' চাকরিহারাদের কাজ চালাতে শীর্ষ আদালত প্রয়োজনমতো অন্য নির্দেশ দিক বলে জানিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেই দুর্নীতির অভিযোগে এসএসসির ২০১৬ সালের প্যানেল বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্ট। একাধিকবার শুনানির পরও যোগ্য ও অযোগ্য বাছাই করতে পারেনি কমিশন। যার জেরেই ২৫ হাজার ৭৫২ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। ঘটনায় প্রবল ব্যাকফুটে শাসকদল তৃণমূল। এত শিক্ষকের চাকরি চলে যাওয়ায় বিরোধীরা একযোগে আক্রমণ শানিয়েছে শাসকদলকে।












Click it and Unblock the Notifications