অভীক দে-বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে সাসপেন্ড করল মেডিক্যাল কাউন্সিল, সন্দীপের বিরুদ্ধেও বড় পদক্ষেপ
RG kar Hospital Doctor Death: প্রবল চাপের মুখে অবশেষে পদক্ষেপ রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের! অভীক দে এবং বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে সাসপেন্ড করা হল। একই সঙ্গে শোকজ করা হয়েছে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে। বর্তমানে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় সিবিআই'য়ের হাতে গ্রেফতার তিনি।
জানা যাচ্ছে, শোকজের চিঠি সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। যেখানে কেন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। তিনদিনের মধ্যে সেই জবাব দিতে হবে বলে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের তরফে। ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে সন্দীপ ঘোষের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হবেও জানা যাচ্ছে কাউন্সিলের তরফে (RG kar Hospital Doctor Death)।

আর তা করা হলে বড় ধাক্কা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে । আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ধর্ষণ (RG kar Hospital Doctor Death)করে খুনের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। ঘটনার একমাস কাটতে চলল। একদিকে বিচার অন্যদিকে একাধিক ইস্যুতে লাগাতার আন্দোলনে জুনিয়ার ডাক্তাররা। ঘটনার সময় অভীক দে এবং বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে সেমিনার হলে দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠতে থাকে।
এমনকি সন্দীপ ঘনিষ্ঠ অভীক দে এবং বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একের পর এক মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে। মেডিক্যাল কলেজগুলিতে 'থ্রেট কালচারে'র সংস্কৃতি থেকে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। একাধিক যে সমস্ত দাবি জুনিয়ার ডাক্তারদের রয়েছে তার মধ্যে একটি ছিল এই দুজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। অবশেষ অভীক দে এবং বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে সাসপেন্ড করল রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল। এই দুজনই কাউন্সিলের বড় পদে ছিলেন। অবশেষে এই বিষয়ে পদক্ষেপে খুশি জুনিয়ার ডাক্তাররা।
যদিও এই দুই ডাক্তার কেন গ্রেফতার হবেন না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। একই সঙ্গে সন্দীপ এখন শোকজ করা নিয়েও প্রশ্ন শতরূপ ঘোষের। তিনি জানান, এখন গ্রেফতার রয়েছেন। ঘটনার পরেই কেন ব্যবস্থা নেওয়া হল না। সব আড়াল করার চেষ্টা বলে দাবি।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগেই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক বিরূপাক্ষ বিশ্বাস এবং প্রাক্তন আরএমও অভীক দে'কে সাসপেন্ড করে স্বাস্থ্য দফতর। এমনকি দুজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। সম্প্রতি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ থেকে ক্যানিংয়ে বদলি করা হয় বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে। সেখানেও তাঁর বিরুদ্ধে আন্দোলন তীব্র হয়। তাঁকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে আন্দোলন শুরু করেন ডাক্তারদের একাংশ।












Click it and Unblock the Notifications