কেন্দ্রের মন্ত্রী, সাংসদদের মতো ব্যবস্থা হোক রাজ্যেও! কম বেতন নিতে আবেদন রাজ্যপালের
করোনা ভাইরাসের জেরে আর্থিক পরিস্থিতির মোকাবিলায় কেন্দ্রের নীতি অনুসরণের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যের মন্ত্রী এবং বিধায়কদের কাছে আবেদন জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর।
করোনা ভাইরাসের জেরে আর্থিক পরিস্থিতির মোকাবিলায় কেন্দ্রের নীতি অনুসরণের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যের মন্ত্রী এবং বিধায়কদের কাছে আবেদন জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা জানিয়েছেন একবছরের জন্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাজ্যপাল, সাংসদ ও মন্ত্রীদের বেতন ৩০ শতাংশ ছাঁটাই করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি, উপ রাষ্ট্রপতি, রাজ্যপাল, মন্ত্রী, সাংসদদের বেতন ও পেনশন কমছে ৩০ শতাংশ
সাংসদরা বেতন ও পেনশন খাতে যে টাকা পেয়ে থাকেন, তাঁর ৩০ শতাংশ ছাঁটাই করা হবে। একবছরের জন্য তা বলবত থাকবে। যেই কারণে স্যালারি, অ্যালাউয়েন্সের অ্যান্ড পেনশন অফ মেম্বার্স অফ পার্লামেন্ট অ্যাক্ট ১৯৫৪ সংশোধন করা হবে। এপ্রিল থেকে তা কার্যকর হওয়ায় আপাতত অর্ডিন্যান্স জারি করা হয়েছে বিষয়টি নিয়ে।
বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলায়, রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, অনেক রাজ্যপাল তাঁদের বেতন কম করার কথা স্বেচ্ছায় জানিয়েছিলেন বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। সেই অনুযায়ী এদিনের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এঁদের বেতনও ৩০ শতাংশ করে কমানো হবে। টাকা যাবে ভারতে কনসলিডেটেড ফান্ডে। জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর।

রাজ্যেও কেন্দ্রের নীতি প্রয়োগের আহ্বান
করোনা ভাইরাসের জেরে আর্থিক পরিস্থিতির মোকাবিলায় সোমবার কেন্দ্র যে নীতি নিয়েছে, তা অনুসরণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। এব্যাপারে তিনি মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যের মন্ত্রী ও বিধায়কদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এব্যাপারে তিনি রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের একবছরের জন্য ৩০ শতাংশ কম বেতন নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার টুইট করেছেন রাজ্যপাল।

মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, তিনি বেতন নেন না
মুখ্যমন্ত্রী গত ৩১ মার্চ কথা প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী কিংবা বিধায়ক হিসেবে কোনও বেতন নেন না। প্রাক্তন সাংসদ হিসেবে তিনি কোনও পেনশনও নেন না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications