লাভপুর গণধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্তদের পুলিশ হেফাজত নয় কেন, উঠছে প্রশ্ন

অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ গ্রামের মোড়ল-সহ মোট ১৩জনকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার তাদের বোলপুর আদালতে তোলা হয়। অভিযুক্তদের একজন অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর পর পুলিশ অভিযুক্তদের হেফাজত না চাওয়ায় অভিযুক্তদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন এসিজেএম পীযুষ ঘোষ।
জেলার পুলিশ সুপার এস সি সুধাকরকে শো কজ করে পদ থেকে সরিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
নির্যাতিতার পক্ষের দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, কোনও সরকারি পক্ষের উকিল উপস্থিত ছিলেন, না তো পুলিশ অভিযুক্দের হেফাজতে নেওয়ার আর্জি জানিয়েছে। সে কারণেই জেল হেফাজতের নির্দেশ। এমন ঘটনাকে নজিরবিহীন বলে ব্যাখ্যা করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের উকিল জে এন চট্টোপাধ্যায়। তাঁর মতে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ না করে পুলিশ কীভাবে তদন্ত এগোবে।
এই ঘটনায় কংগ্রেস, বিজেপি-সহ বিরোধীরা আঙুল তুলেছেন তৃণমূল তথা শাসকদলের দিকেই। তাঁদের বক্তব্য অপরাধীদের সঙ্গে শাসকদলের বোঝাপড়া রয়েছে বলেই পুলিশ এনিয়ে বেশি দূর এগোতে চাইছে না। এদিকে চাপ এড়াতে এসপি-কে বদলি করে নাট করছে সরকার।
প্রশাসনিক কর্তাদের একাংশের ধারণা, পার্কস্ট্রিট,কামদুনি, মধ্যমগ্রাম,বাবুঘাট পর পর ধর্ষণের ঘটনায় বিরোধীরা মমতাকে আক্রমণের মওকা পেয়ে গিয়েছে। লাভপুর গণধর্ষণ কাণ্ডে পুলিশের কোনওরকম গাফিলতি সরকারকে আরও অস্বস্তিতে ফেলবে। তাই পুলিশের কোনওরকম গাফিলতিকেই আর প্রশ্রয় দিতে চাইছেন না মমতা। তাই জেলার পুলিশ সুপারকে পদ থেকে সরিয়ে কড়া বার্তাই দিতে চাইছেন মমতা। নতুন এসপি পদে আনা হয়েছে আইজি পশ্চিমাঞ্চল সিদ্ধিনাথ গুপ্তকে।












Click it and Unblock the Notifications