TMC vs BJP: “চ্যাংদোলা” বনাম “ঠুসে দেব”! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব, হুমায়ুনকেও ‘শাস্তি’ দেবে তৃণমূল?
Suvendu Vs Humayun: রাজ্য রাজনীতিতে এখন "চ্যাংদোলা" বনাম "ঠুসে দেব" ট্রেন্ড। গত মঙ্গলবার বিধানসভার বাইরে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের সংখ্যালঘু বিধায়কদের ক্ষমতায় এলে চ্যাংদোলা করে ফেলবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু। পাল্টা 'ঠুসে দেওয়ার' হুমকি দেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। আর এবার বিধানসভায় পাল্টা শুভেন্দুর মন্তব্যে নিন্দা প্রস্তাব আনল তৃণমূল। একইসঙ্গে হুমায়ুনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থার পথে হাঁটতে পারে তৃণমূলের পরিষদীয় দল।
মঙ্গলবার বিধানসভার বাইরে দাঁড়িয়ে তৃণমূলকে নিশানা করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "তৃণমূল বাংলার হিন্দুদের উপড়ে ফেলতে চাইছে। ওদের দলের যে সব মুসলিম বিধায়ক জিতে আসবে তাদের চ্যাংদোলা করে ১০ মাস পরে এই রাস্তায় ফেলব।" শুভেন্দুর এই মন্তব্যের পরেই তুঙ্গে ওঠে বিতর্ক। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনে তৃণমূল।

এদিকে শুভেন্দুকে আক্রমণ শানাতে গিয়ে এককাঠি উপরে উঠে হুমকি দিয়েছেন তৃণমূলের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, 'উনি যদি মারতে আসেন তাহলে আমরা কি রসগোল্লা খাওয়াবো নাকি? মুসলিম বিধায়কদের তিনি অসম্মান করবেন, আছাড় মেরে রাস্তায় ফেলার কথা বলবেন, আর তাঁকে রসগোল্লা খাওয়াবো না। যা জবাব দেওয়ার তাই দেওয়া হবে। উনি আছাড় মারার কথা বলেছেন, আমি ঠুসে দেব।'
৭২ ঘণ্টার মধ্যে শুভেন্দুকে ক্ষমা চাইতে বলে সময় বেঁধে দেন হুমায়ুন। মুসলিম বিধায়কদের কাছে ক্ষমা না চাইলে শুভেন্দুকে বিধানসভায় ঘরের বাইরে গিয়ে বুঝে নেওয়ারও হুমকি দেন তিনি। এমনকী মুর্শিদাবাদে বিরোধী দলনেতাকে ঢুকতে না দেওয়ার হুমকিও দেন হুমায়নু। অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতার ঠ্যাং ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারী দেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার তৃণমূলের ২ বিধায়ককে মন্তব্য প্রত্যাহার করার দাবি তোলেন বিজেপির মুখ্য সচেতক তথা শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। পাল্টা নিন্দা প্রস্তাব আনেন তৃণমূলের মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ। ইচ্ছাকৃতভাবে ঘৃণা ভাষণে মুসলিম এবং হিন্দুদেরও অসম্মান করেছেন শুভেন্দু, এই অভিযোগে নিন্দা প্রস্তাব আনা হয়। দুই পক্ষই আলোচনা দাবি করলে স্পিকার তা নাকচ করে দেন। এরপর প্রতিবাদে ওয়াকআউট করে বিজেপি।
এদিকে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের শেষ ২ দিন সব বিধায়কের বিধানসভায় আসা বাধ্যতামূলক করল তৃণমূল। সূত্রের খবর, ৩ লাইনের হুইপ জারি করা হচ্ছে। একমাত্র হাসপাতালে ভর্তি হলে তবেই ছাড়। না হলে যে কোনও পরিস্থিতিতে আসতেই হবে। শেষ দুদিনের মধ্যে ১৯ তারিখ স্বাস্থ্য বাজেট, তারপরের দিন ২০ তারিখ শিক্ষা ও অর্থ বিষয়ক একাধিক বিল আসছে। তাই শেষ দুদিনের জন্য অফিসিয়াল কড়া হুইপ জারি হতে পারে বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications