Post poll violence: ভোট-পরবর্তী হিংসায় অগ্নিগর্ভ বাংলায় আক্রান্ত প্রার্থী, বাড়ি লক্ষ করে বোমাবাজি-আগুন

মনোনয়ন পর্ব থেকে পঞ্চায়েত নির্বাচন পর্যন্ত ৩৫ জনের প্রাণ গিয়েছে বাংলায়। ভোটের পরও শান্তি নেই। ভোট পরবর্তী হিংসার আগুনে পুড়ছে বাংলা। বাংলার বিভিন্ন এলাকা যেন রণক্ষেত্র। পঞ্চায়েত ভোট আবারও শান্ত বাংলাকে অশান্ত করে তুলেছে।

হাওড়ার জগৎবল্লভপুরে নির্দল প্রার্থীর বাড়িতে হামলা হয়েছে। প্রার্থীর ভাইপোর বাড়িতে আগুন লাগানোর অভিযোগ তৃণমূলআশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। আবার হাড়ার আমতার দু-নম্বর ব্লকে কংগ্রেস প্রার্থীর উপর চড়াও হয়েছে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। কংগ্রেস প্রার্থী, কংগ্রেস প্রার্থীর মা ও সন্তানও আক্রান্ত হয়েছেন।

Post poll violence

স্থানীয় ও পুলিশ-প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ হাওড়ার জগৎবল্লভপুরে বড়গাছিয়া ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪১ নম্বর বুথের নির্দল প্রার্থী শেখ শফিকুল ইসলামের ভাইপোর বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। তার আগে শনিবার রাতে ওই নির্দল প্রার্থীর বাড়িতেও হামলা চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। মহিলাদের কটূক্তি করা হয় বলেও অভিযোগ।

এরপর প্রাণের ভয়ে ওই নির্দল প্রার্থীর বাড়ির সদস্যরা থানায় আশ্রয় নেন। এরপর রবিবার ভোর ৫টা নাগাদ ওই নির্দল প্রার্থীর ভাইপোর বাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে। এর ফলে পুড়ে গিয়েছে দুটি বাইক, বাড়ির বেশ কিছু আসবাবপত্র। এই ঘটনায় অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে।

আবার পাল্টা অভিযোগ, শনিবার ভোট মিটে গেলে ব্যালট বক্স ছিনতাই করার চেষ্টা চালান ওই নির্দল প্রার্থী এবং তাঁর অনুগামীরা। এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ। আবার প্রার্থীর উপর হামলা ও বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Post poll violence

আমতা দু-নম্বর ব্লকের কাশমূলী অঞ্চলের ১২৮ নম্বর বুথের কংগ্রেস প্রার্থী মর্জিনা বেগম এবং তাঁর মা ও শিশুকে নৃশংসভাবে আক্রমণ করা হয়। ধারাবো অস্ত্র দিয়ে মাথায় কোপ মারা হয়। তৃণমূল-আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। আক্রান্দের উলুবেড়িয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিকে ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে অন্ডাল। অন্ডালের কাজোড়া এলাকায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ, কাজোড়া এলাকার সিপিএমের কর্মী সমর্থকরা ১১৭ ও ১৮ নম্বর বুথ দখলের চেষ্টা করেছিল। তাদের বুথ দখলের চেষ্টায় বাধা দিতেই তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুর এবং তৃণমূল প্রার্থীর বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।

পাশাপাশি অভিযোগ অস্বীকার করে সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, সিপিএমের লোকেরা বুথ দখল করেনি, বুথ দখল করছিল তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তাদের সেই বুথ দখলের বাধা দিতেই তাদের ওপর চড়াও হয় তৃণমূল নেতাকর্মীরা। বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়। সিপিএম প্রথমে আক্রান্ত হয়ে প্রতিরোধ করে। পালাতে বাধ্য হয় তৃণমূল কর্মীরা। বরং তৃণমূল তাদের পার্টি অফিসে ভাঙচুর করে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+