বিশ্বভারতীর উপাচার্যর মেয়াদ বাড়ানো হবে না, দাবি অনুপম হাজরার
বিশ্বভারতী বিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মতপ্রকাশ বিজেপি নেতা অনুপম হাজরার। শুধু তাই নয়, বোলপুরের শান্তিনিকেতনে তৃণমূলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছে গিয়েছেন তিনি। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু জোর চর্চা।
মঙ্গলবার বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা তৃণমূলের ধরনা মঞ্চে পৌঁছান। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে মালা দেন। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী সমালোচনায় সরব হম তিনি। ৮ নভেম্বর উপাচার্যের চাকরির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। উপাচার্য বিজেপি সেজে মেয়াদ বাড়াতে চাইছেন। এই অভিযোগ করেছেন অনুপম।

উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে ঘিরে বিতর্কের শেষ নেই। সাম্প্রতিকতম বিতর্ক বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলক প্রসঙ্গ। ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সম্মান পেয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতন। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরের উপাসনা গৃহ, ছাতিমতলা, উত্তরায়ণের সামনে ফলক বসানো হয়েছে।
সেই ফলকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম পর্যন্ত নেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও তার নাম রয়েছে ওই ফলকে। সেই নিয়েই বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম বাদ দেওয়ার দু:সাহস দেখাতে পারলেন উপাচার্য? রবীন্দ্র অনুরাগীরা বিরক্ত এই আচরণে৷ যদিও এই বিষয়ে বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর কোনও প্রতিক্রিয়া নেই৷
মঙ্গলবার বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা রীতিমতো উপাচার্যের প্রতি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠলেন। উপাচার্য বিজেপি সাজতে চাইছেন। এই মারাত্মক অভিযোগ করেন তিনি। উপাচার্যকে বহিরাগত বলে কটাক্ষও করেছেন তিনি। এই উপাচার্যের আমলে শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা বন্ধ হয়েছে।
তার আমলে বিশ্বভারতীর রীতি বদলে গিয়েছে। শান্তিনিকেতনের মানুষের আবেগ বিশ্বভারতীর উপাচার্য বোঝেন না। এমন মানুষ শান্তিনিকেতনের বুকে ভাইরাসের মতো। উপাচার্যের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। সেই মেয়াদ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী।
কিন্তু মেয়াদ বাড়ানো হবে না। বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর মেয়াদ আর কেন্দ্রীয় সরকার বাড়াবে না। এই কথা জোর গলায় দাবি করেছেন এই বিজেপি নেতা। উপাচার্য যাওয়ার পরে গোবরজল দিয়ে এলাকা শুদ্ধ করা হবে। এই কথাও অনুপম হাজরা বলেন।
তৃণমূলের ধরনা মঞ্চে বিজেপি নেতা গেলেন। সেখানে বক্তব্যও রাখলেন। এই নিয়েও শুরু হয়েছে চর্চা।












Click it and Unblock the Notifications