ভোটের মুখে ক্রমশ তপ্ত হচ্ছে হুগলী জেলা, চিন্তায় পুলিশ
কোথায় অশান্তি হচ্ছে? যেমন ধরুন, পাণ্ডুয়া। হুগলী লোকসভা আসনের অন্তর্গত। এবার হুগলী লোকসভা আসনে প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রত্না দে নাগ। ২০০৯ সালে সিপিএমের রূপচাঁদ পালকে হারিয়ে জিতেছিলেন তিনি। এবার তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমের প্রদীপ সাহা। ইতিমধ্যে ভোটের প্রচার জোর কদমে শুরু করে দিয়েছে দু'পক্ষই। ভোটের পারদ চড়ার সঙ্গে সঙ্গে চড়ছে উত্তেজনার পারদও।
শুক্রবার রাতে পাণ্ডুয়া থানা এলাকার ভাইড়া গ্রামে রত্না দে নাগের সমর্থনে দেওয়াল লিখছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের লোকজন। তখন সিপিএম হামলা চালায় বলে অভিযোগ। যদিও সিপিএমের দাবি. কাস্তে-হাতুড়ি আঁকা দেওয়ালে চুনকাম করে দেয় তৃণমূল। তার পর সেখানে রত্না দে নাগের নামে লেখা শুরু হয়। এর প্রতিবাদ করলে তৃণমূল কংগ্রেস লাঠিসোটা নিয়ে মারধর করে সিপিএম কর্মীদের। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। থানায় অভিযোগ দায়ের করে তৃণমূল কংগ্রেস।
অভিযোগ, থানা থেকে ফেরার পথে সিপিএম চড়াও হয় তৃণমূল কর্মীদের ওপর। ওইদিন ভোররাতে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শেখ শরিফউল্লার বাড়িতে সিপিএম হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এর পরই গতকাল সকালে সিপিএমের পাণ্ডুয়া জোনাল অফিসে ভাঙচুর চালায় তৃণমূল কংগ্রেসের উত্তেজিত কর্মী-সমর্থকরা। পাণ্ডুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে স্থানীয় সিপিএম বিধায়ক আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। এখনও পর্যন্ত ২২ জন সিপিএম কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
আর একটি ঘটনায় শুক্রবার গভীর রাতে গোঘাটের ব্যাঙ্গাইয়ে তৃণমূলের পার্টি অফিসে হামলা সিপিএম হামলা চালায় বলে অভিযোগ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিঁড়ে দেওয়া হয়। পুড়িয়ে দেওয়া হয় তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা। টিভি, আসবাব, চেয়ার-টেবিল ভেঙে ফেলা হয়। এই ঘটনায় দলের পক্ষ থেকে গোঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও সিপিএমের দাবি, এমন ঘটনা তারা ঘটায়নি। গোঘাটে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে। এখন দৃষ্টি ঘোরাতে সিপিএমের ওপর দায় চাপানো হচ্ছে।













Click it and Unblock the Notifications