করোনা সচেতনতায় প্রশাসনের পাশে সাধারণ মানুষ, সিল আস্ত গ্রাম
করোনা সচেতনতায় প্রশাসনের পাশে সাধারণ মানুষ, সিল আস্ত গ্রাম
করোনা সচেতনতায় প্রশাসনের পাশাপাশি গ্রামবাসীরাও। করোনা আতঙ্কে একের পর এক গ্রাম সিল করতে উদ্যোগী হয়েছেন গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারাই। তারাও অন্য গ্রামে যাবেন না। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বসিরহাটের ধান্যকুড়িয়ার বাইন পাড়া, পূর্ব পাড়া সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দারা। তারা নিজেদের উদ্যোগেই গ্রামের মূল রাস্তায় বাঁশ লাগিয়ে পোস্টার টানিয়ে গ্রামসিল করে।

গ্রামবাসীদের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্দেশ্য একটাই। যাতে বহিরাগতরা এসে গ্রামে না ঢুকতে পারে। এবং এজন্য দিন রাত পাহারার ব্যবস্থা করেছে বাসিন্দারা। গ্রামবাসীদের এই কাজে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে স্থানীয় কিছু স্বেচ্ছাসেবক যুবক ও কলেজপড়ুয়ারা।
পাশাপশি, নিজেদের উদ্যোগে কেউ বাইরে থেকে আসলে যদি অসুস্থ হয় তাদেরকে দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে। এবং হোমকয়োরন্টিন থাকার জন্য লাগাতার সচেতন মূলক কাজ করে চলেছে।
গ্রামবাসীরা জানান, সমাজকর্মী ছন্দক বাইন কলেজ ছাত্রী বিশ্বরূপ মন্ডল গ্রামবাসী প্রলয় মন্ডল তাদের উদ্যোগে গ্রামে একদল ছাত্র ছাত্রী থেকে গ্রামের বিশিষ্টজনেরা এই সচেতনতার বার্তা দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিটি ঘরে ঘরে। স্বাস্থ্য দপ্তরের পাশাপশি নিজেদের উদ্যোগেও কোবিট 19 এর যেসব উপসর্গ গুলো আছে জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট ইতিমধ্যে তার পোস্টারও লাগিয়েছেন তারা। এমনিতে ধান্যকুড়িয়া অঞ্চলে বেশ কিছু রাজবাড়ী রয়েছে যেখানে বাইরে থেকে পর্যটকরা ভিড় করত। কিন্তু লকডাউন এর জেরে এমনি ঘর মন্দির মানুষ তার কারণে এগুলো প্রায় পর্যটকশূন্য করা হয়েছে রাজবাড়ী গুলোকে।
শুধু ধান্যকুড়িয়া এই কয়েকটি গ্রামই না, বেশ কিছু গ্রামেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেদের উদ্যোগেই তারা একাজ করছেন। কেন্দ্র-রাজ্য নির্দেশ অমান্য যাতে কেউ না করে তার জন্য চলছে সচেতনতার প্রচার। লকডাউন সফল করতে সমাজের সব ধরনের মানুষকে স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসার আহবান।












Click it and Unblock the Notifications