Varanasi-Howrah Bullet: হাওড়া-বারাণসী মাত্র ২ ঘণ্টায়! বর্ধমান, দুর্গাপুর হয়ে ছুটবে 'বুলেট', বড় 'উপহার মোদীর
Varanasi-Howrah Bullet Train: মোদী সরকারের আমলে ভারতীয় রেলে যুগান্তকারী বদল আসছে! একদিকে ছুটছে বন্দে ভারতের মতো ট্রেন, অন্যদিকে দেশজুড়ে চলছে বুলেট প্রজেক্ট। আর সেই তালিকায় আছে বারাণসী-পাটনা-হাওড়া হাই-স্পিড রেল করিডোর (Varanasi-Howrah high-speed rail corridor)। এর মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশের বারাণসী এবং পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার মধ্যে ছুটবে বুলেট ট্রেন। আর এই করিডর তৈরির প্রাথমিক কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর।
সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, প্রস্তাবিত ৭৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই বুলেট ট্রেন (Varanasi-Howrah Bullet Train) প্রকল্প খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। মূলত বক্সার, আরা, পাটনা, গয়া, ধানবাদ, আসানসোল, দুর্গাপুর এবং বর্ধমানের মতো প্রধান শহরগুলির মধ্য দিয়ে চলবে বুলেট। শুধু তাই নয়, মাত্র দুই ঘন্টার মধ্যে দীর্ঘ এই দূরত্ব অতিক্রম করবে বলেও প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে।

এখানেই শেষ নয়, রেলের প্রস্তাব অনুসারে এই রুটে বিহারের মধ্যে প্রায় ২৬০ কিলোমিটার উঁচু ট্র্যাক থাকবে। আর সেখান থেকেই ছুটবে বুলেট। ওই সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পুরো প্রকল্পটি ডিপিআর পর্যায়ে রয়েছে। জমি সহ রুট সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় নিয়ে সমীক্ষা চলছে। এছাড়াও একাধিক কাজ চলছে। আর এরপরেই সমস্ত ঠিক থাকলে প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে।
Varanasi-Howrah Bullet Train: ট্রেনের গতি, দূরত্ব এবং স্টেশন
ইন্ডিয়া ডট কমের খবর অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বারাণসী-পাটনা-হাওড়া হাই-স্পিড রেল করিডোর (Varanasi-Howrah high-speed rail corridor) এর দুরত্ব হবে ৭৬০ কিমি। পূর্ব ভারতের পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ শহর, বারাণসী, বক্সার, পাটনা, গয়া এবং কলকাতাকে কানেক্ট করবে। একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বারাণসী-হাওড়া বুলেট ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি হবে ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটার। ফলে মাত্রা দু'ঘন্টায় হাওড়া-বারাণসী যাত্রা করা সম্ভব হবে। অন্য কিছু সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই রুটে যাত্রা করার ক্ষেত্রে সময় লাগবে সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা।
Varanasi-Howrah Bullet Train: হাওড়া পর্যন্ত ছুটবে বুলেট
এলিভেটেড রুটে বস্কার, গয়া, আসানসোল, ধানবাদ, দুর্গাপুর হয়ে হাওড়া পর্যন্ত ছুটবে বুলেট। সম্ভাবিত এই স্টেশনগুলির মধ্যে আরা এবং নবাদাও থাকতে পারে বলে প্রকাশিত খবরে দাবি। তবে এই করিডর চালু হবে সে বিষয়ে রেলের তরফে কিছু বলা হয়নি। তবে আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে এই করিডরের কাজ শেষ হতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই রেল করিডর তৈরি হয়ে গেলে বাংলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নতি ঘটবে।












Click it and Unblock the Notifications