অশান্ত দার্জিলিং, পিছনে নাগাল্যান্ড ও নেপালের ভাড়াটে জঙ্গি, কড়া নজরে মোর্চা নেতৃত্ব
দেশি-বিদেশি শক্তি একসঙ্গে দার্জিলিং-এর পরিস্থিতি অশান্ত করে তুলছে। কালিম্পং থানায় গ্রেনেড হামলার পর এমনটাই খবর গোয়েন্দা সূত্রে। সূত্রের খবর, গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার হাতে গড়া গোর্খা লিবারেশন আর্মির সঙ্গে হাত লাগিয়েছে নাগাল্যান্ডের জঙ্গি সংগঠন এনএসসিএন। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নেপালের মাওবাদীদের একটা অংশ।

নেপাল এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের সূত্র ধরেই দার্জিলিং-এ বিস্ফোরক সরবরাহ করা হয়েছে। মোর্চা শীর্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমেই নেপালের মাওবাদী এবং উত্তর-পূর্বের এনএসসিএন জঙ্গিরা দার্জিলিং-এ আশ্রয় নিয়েছে বলে খবর। কীভাবে কখন প্রশাসনকে ভয় দেখাতে হবে, তা মোর্চার শীর্ষ নেতৃত্বই ঠিক করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ প্রশাসনের। মোর্চা নেতৃত্বের লক্ষ্য পাহাড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা। রাজ্য প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হলেও, ভাড়াটে জঙ্গিদের সন্ধাসনে চিরুনি তল্লাশি চলছে কালিম্পংসহ বিভিন্ন এলাকায়।

ভাড়াটে জঙ্গি নিয়ে আন্দোলন চালাতে মোর্চা নেতাদের হাতে টাকা আসছে কোথা থেকে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে প্রশাসন সূত্রে খবর, জিটিএ-র জন্য রাজ্য সরকার যে অর্থ দিয়েছিল তার খরচ খাতায় কলমে দেখানো হলেও, বাস্তবে তা হয়নি। আর তার জন্যই রাজ্যের তরফে জিটিএ-র অডিটের ঘোষণার পরেই আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় অফিসে। জিটিএ-র অব্যবহৃত সেই টাকাই এই মুহূর্তে খরচ করা হচ্ছে জঙ্গিদের পিছনে।

এর আগে পাহাড়ে অশান্তির পিছনে জঙ্গি-যোগ রয়েছে বলে, অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাহাড়ের আন্দোলনের নেপথ্যে বিদেশি শক্তির মদত রয়েছে বলে রিপোর্ট দেয় সেন্ট্রাল আইবিও। পাহাড়ের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েই সেন্ট্রাল আইবি-র সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আইবি-র তদন্তেও উঠে এসেছে প্রতিবেশী দেশের জঙ্গি-যোগের কথা।












Click it and Unblock the Notifications