পাখির চোখ একুশের নির্বাচন, বাংলা-অসম সহ 'ভোট রাজ্য'-এর ঝুলিতে কী কী গেল?
সামনেই বিধানসভা ভোট। তাকে 'পাখির চোখ' করে বাজেটে উপহার প্রত্যাশিতই ছিল। হলও তাই। বাংলা ও অসমের জন্য বিরাট কোনও বরাদ্দ না-থাকলেও, গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘোষণা করে মনজয়ের চেষ্টা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। একনজরে দেখে নেওয়া যাক এই দুই রাজ্য বাজেটে কী কী পেল।

পশ্চিমবঙ্গে ৬৭৫ কিলোমিটার দীর্ষ জাতীয় সড়ক
পশ্চিমবঙ্গে ৬৭৫ কিলোমিটার দীর্ষ জাতীয় সড়ক ছাড়াও অর্থনৈতিক করিডর তৈরি করা হবে। বরাদ্দ করা হয়েছে ২৫ হাজার কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, কলকাতা-শিলিগুড়ি রাস্তা সংস্কার করা হবে। রাস্তা নির্মাণে অসমের ঝুলিও ভরিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে অসমে ১৯ হাজার কোটি টাকার সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। এ ছাড়াও আগামী তিন বছরে ৩৪ হাজার কোটি টাকা খরচে ১,৩০০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের কাজ শেষ হবে।

রেলের বাজেটেও বাংলার জন্য সুখবর রয়েছে
রেলের বাজেটেও বাংলার জন্য সুখবর রয়েছে। নির্মলা সীতারমণ ঘোষণা করেছেন, খড়গপুর থেকে বিজয়ওয়াড়া পর্যন্ত ইস্ট-কোস্ট ফ্রেট করিডর নির্মাণ করা হবে। ইস্ট-ওয়েস্ট ফ্রেট করিডরে যুক্ত থাকবে খড়গপুর ও ডানকুনি। একইসঙ্গে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডরের গোমো-ডানকুনি শাখা নিয়েও প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের চা-শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করার প্রস্তাব দেন নির্মলা। বিশেষ জোর দেওয়া হবে মহিলা এবং শিশুদের উপর।

ভারতীয় রেলের বিভিন্ন খাতে খরচের জন্য ১ লক্ষ কোটি
এদিকে ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ভারতীয় রেলের বিভিন্ন খাতে খরচের জন্য ১ লক্ষ ১০ হাজার ৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করলেন নির্মলা সীতারমন৷ এরমধ্যে ১ লক্ষ ৭ হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্য়য় করা হবে মূলধনী খরচ হিসাবে৷ সোমবার কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের সময় ভারতীয় রেল পরিষেবার নয়া নকশাও প্রকাশ্যে আনেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী৷

২০৩০ সালের মধ্যেই এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন
এদিন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন জানান, ২০৩০ সালের মধ্যেই এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করা হবে৷ এরমধ্যে পূর্ব ও পশ্চিমের ফ্রেট করিডর নির্মাণের জন্য ২০২২ সালের জুন মাস পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করেছেন অর্থমন্ত্রী৷ এর বেশ খানিকটা তৈরি হবে পিপিপি মডেলে৷

ফ্রেট করিডরের উন্নয়ন
আগামী দিনে ফ্রেট করিডরের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার সরাসরি পরিকাঠামো তৈরির কাজ করবে বলেও জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন৷ ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই ১০০ শতাংশ বিদ্যুৎ পরিচালিত ব্রড গেজ লাইন তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাবে বলেও দাবি করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী৷

বেশ কিছু শহরে মেট্রো রেল সম্প্রসারণ
একই সঙ্গে বেশ কিছু শহরে মেট্রো রেল নিয়েও কিছু বরাদ্দের কথা ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী৷ তিনি জানিয়েছেন, কোচি মেট্রো রেলের দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৯৫৭ কোটি টাকা খরচ হবে৷ এতে কাজ হবে সাড়ে ১১ কিলোমিটারের৷ অন্যদিকে চেন্নাইয়ের মেট্রো রেলের জন্য ঘোষণা করা হয়েছে নতুন বরাদ্দের৷ সেখানে ১১৮.৯ কিমি রেলপথের জন্য ৬৩ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে৷ এটাও চেন্নাই শহরে মেট্রোর দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ৷












Click it and Unblock the Notifications