যাদবপুরের শ্লীলতাহানির ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার ২

এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলনে আগুনে পেট্রোল ছোঁড়ার কাজ করেছে। ছাত্ররা দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্রী নিগ্রহের ঘটনায় দোষীদের শাস্তি দাবি করছিল। সপ্তাহের পর সপ্তাহ গড়ালেও বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি কোনও রকম পদক্ষেপ না নেওয়ায় অসন্তোষ বাড়তে তাকে। এরই মাঝে ১৬ সেপ্টেম্বর কলেজ চত্ত্বরে যখন ছাত্রীছাত্রীরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছিলেন তখন উপাচার্যের ডাকে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতর ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের উপর অকথ্য মারধর লাঠিচার্জ করে। রাজ্যে এমনকী গোটে দেশে এই ঘনটায় নিন্দার ঝড় ওঠে।
আরও পড়ুন: পড়ুয়াদের ন্যায্য প্রতিবাদে গায়ে ফোসকা, 'নেশাখোরদের আন্দোলন' বলল তৃণমূল
আরও পড়ুন: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোস্ট ঘিরে ফেসবুকে ঝড়, সরব আমআদমি
আরও পড়ুন : যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে জোর করে টেনে এনে ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, মারধর
আরও পড়ুন : যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হিটলারি কায়দায় পুলিশি হামলা, আলো নিভিয়ে শ্লীলতাহানি
এরপর রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর পরামর্শে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাসের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং ৭২ ঘন্টার মধ্যে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেয় সরকার। রিপোর্ট জমা পড়ার সঙ্গেই নড়ে চড়ে বসে রাজ্য পুলিশ। অবশেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুই ছাত্রকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কিন্তু কেন একমাস অপেক্ষা করতে হল এই সিদ্ধান্তের জন্য তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটির স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত দুই ছাত্রের নাম নিখিল দাস ও সোনু কুমার। এদের মধ্যে একজন তৃতীয় বর্ষের অন্যজন দ্বিতীয় বর্ষের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র।












Click it and Unblock the Notifications