তৃণমূলে মোহভঙ্গ! বিজেপিতে 'কামব্যাক' দুই পঞ্চায়েত সদস্য, জোর ধাক্কা অনুব্রত-গড়ে
ক-দিন আগেই বিজেপি থেকে ভাঙিয়ে এনে তৃণমূলে যোগদান করিয়েছিলেন দুই পঞ্চায়েত সদস্যকে। গঠন হয়েছিল পঞ্চায়েত। সপ্তাহকাল কাটতে না কাটতেই ফের বিপত্তি।
ক-দিন আগেই বিজেপি থেকে ভাঙিয়ে এনে তৃণমূলে যোগদান করিয়েছিলেন দুই পঞ্চায়েত সদস্যকে। গঠন হয়েছিল পঞ্চায়েত। সপ্তাহকাল কাটতে না কাটতেই ফের বিপত্তি। তাঁরা কি না অনুব্রত মণ্ডলের হাত থেকেই ফসকে গেলেন! দুই সদস্যই ফিরে গিয়েছেন বিজেপিতে। ফলে রামপুর পঞ্চায়েতের ভবিষ্যৎ ফের অনিশ্চিত।

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে ফেরা
বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরীর হাত ধরে বিজেপির দুই পঞ্চায়েত সদস্য যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলের। রামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দুই সদস্য যোগ দেওয়ায় তৃণমূল এই পঞ্চায়েতে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে যায়। পঞ্চায়েত গঠন করে। কিন্তু দুই পঞ্চায়েত সদস্যই ভোল বদল করায় ফের সমস্যা তৈরি।

অনুব্রত-গড়ে ধাক্কা তৃণমূলের
ঠিক যখন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের সভার তোড়জোড় চলছে, তখন সভার আগের দিনই তৃণমূলকে ধাক্কা দিয়ে দুই বিজেপি সদস্যের ঘরে ফিরে যাওয়া ঘাসফুল শিবিরে জোর ধাক্কা বলেই রাজনৈতিক মহল মনে করছে। এখন সুলতা কোড়া ও জপন মুখোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দেওয়ায়, তারা অনাস্থা আবার জায়গায় চলে গেল।

সাতদিনের মধ্যে পাল্টা বিজেপির
তৃণমূলকে পাল্টা দিয়ে দুই নেতাকে দলে ফেরাল বিজেপি। বিজেপি নেতা ফণীরঞ্জন রায়ের হাত ধরে সাতদিনের মধ্যে তাঁরা আবার পদ্মশিবিরে ফিরলেন। তাঁদের কথায়, ভুল বুঝতে পেরেই আমরা ফিরে এসেছি। বিজেপির টিকিটে জিতেছি, তাই বিজেপির প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা থেকেই আমরা ফিরে এসেছি দলে।

সভার আগে অনুব্রত ব্যাকফুটে
এখন প্রশ্ন একটাই, অনুব্রত মণ্ডল মহম্মদবাজারের জনসভায় শনিবার কী বার্তা দেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা ছিল, বিজেপির কোমর ভেঙে রামপুর পঞ্চায়েত দখল কররা পর এই সভা থেকে বিজেপিকে কড়া বার্তা দেবেন। কিন্তু জনসভার আগে নিজেই ব্যাকফুটে চলে গেলেন দুই সদস্য দল ছাড়ায়।












Click it and Unblock the Notifications