কে দেবে দিদিমার ভোট, ডোমকলের বুথে চরম বচসা দুই 'সিপিএম-তৃণমূল' নাতির
ডোমকল, ২১ এপ্রিল : অন্ধ দিদিমার ভোটে কে দেবে, ভোটকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে তাই নিয়েই তুমুল বচসা দুই নাতির।
আপাতভাবে মনে হতে পারে দিদিমার প্রতি অগাধ ভালবাসা থেকেই দুই নাতির এহেন আচরণ। কিন্তু আদতে গল্পটা অন্যখানে। বলা যেতে পারে দিদিমা তো নিমিত্ত মাত্র রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্যই এই বচসার কারণ।

ডোমকলের গড়াইপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৫৪ নম্বর বুথের এই ঘটনা শুনলে মজার মনে হলেও আদতে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুগম্ভীর। সায়েস্তা বিবি নামে এক অশীতিপর বৃদ্ধার ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাধে গণ্ডগোল।
বৃদ্ধার এক নাতি লালটু মণ্ডল নিজেকে সিপিএম কর্মী বলে দাবি করেন। লালটুর ভোট দেওয়া হয়ে গেলেও তার দাবি ছিল, দিদার হয়ে তাকে আর একটি ভোট দেওয়ার অধিকার দিতে হবে। দিদা চোখে দেখতে পায় না তাই তার সহযোগিতা প্রয়োজন তার দিদার। পাশাপাশি এলাকার তৃণমূলদের বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোট কেনারও অভিযোগ আনেন তিনি। আর সেই কারণেই তৃণমূল কর্মী দাদা হাসনুর জামানের সঙ্গে বচসা শুরু হয় তার।
তৃতীয় দফার LIVE UPDATE পড়ুন এখানে ক্লিক করে
অন্যদিকে তৃণমূল কর্মী হাসনুরজামানের কথায়, "দিদা চোখে দেখতে পান না কিন্তু তিনি নিজের রাজনৈতিক প্রার্থী পছন্দ করে নিয়েছেন। আমার দাবি দিদার সঙ্গে আমাকে বা নিরপেক্ষ কোনও ব্যাক্তিকে ভিতরে যেতে দেওয়া হোক যার সাহায্যে দিদা নিজের পছন্দ মতো প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে।" কিন্তু তাঁর কথায় তাঁর বামপন্থী ভাই জোর করে দিদাকে দিয়ে বাম প্রার্থীকে ভোট দেওয়াতে চাইছে, তাই তার প্রতিবাদ করছিলাম শুধু।
এদিকে এই ঘটনার জেরে ভোটকেন্দ্রে বেশ খানিকটা সময় ভোটপ্রক্রিয়া থমকে যায়। বুথের ভিতরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
দুই নাতির লালটু মণ্ডল সিপিএম কর্মী। সায়েস্তা বিবি। হাসনুরজামান মণ্ডল। তৃণমূল সমর্থক।












Click it and Unblock the Notifications