প্রকাশ্যে বিপ্লব দেবকে ইঙ্গিত করে ক্ষোভ প্রকাশ সুদীপের, ত্রিপুরা বিজেপিতে ভাঙন কি সময়ের অপেক্ষা?
প্রকাশ্যে বিপ্লব দেবকে ইঙ্গিত করে ক্ষোভ প্রকাশ সুদীপের, ত্রিপুরা বিজেপিতে ভাঙন কি সময়ের অপেক্ষা?
মুকুল ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনি। আবার ত্রিপুরা বিজেপির শক্তিশালী নেতা। তাঁর দাপট এবং প্রভাব দুই বেশি। সেই সুদীপ রায় বর্মনই এবার প্রকাশ্যে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন। তারপরেই শুরু হয়ে গিয়েছে ত্রিপুরা বিজেপিতে ভাঙনের জল্পনা। কয়েকদিন আগেই ত্রিপুরায় খেলা হবে হুঙ্কার দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। তারই কী ইঙ্গিত দিচ্ছে সুদীপের এই এই বেসুরো বার্তা। তাই নিয়ে চরম রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে ত্রিপুরায়।

বেসুরো সুদীপ
গত কয়েকদিন ঘরেই ত্রিপুরার বিজেপি নেতা সুদীপ রায়বর্মনের গতিবিধি নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। দলের সঙ্গে দূরত্ব রেখে চলছেন তিিন। আবার প্রকাশ্যে দলবদলের কথাও জানাচ্ছেন না। নিজের অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা জিইয়ে রেখেছেন তিনি। তবে হতকাল সুদীপ রায় বর্মন যা বলেছেন, তাতে তাঁর তৃণমূলে যোগ দান সময়ের অপেক্ষা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সুদীপ রায় বর্মন প্রকাশ্যেই বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। প্রকাশ্যেই তিিন বিপ্লব দেবের দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন এই নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করা যায়না। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য সুদীপকে ধরে রাখতে তাঁকে মন্ত্রিত্ব দেওয়ার টোপও দিয়েছিলেন বিপ্লব দেব। কিন্তু সুদীপ সেটা ফিরিয়ে দেন।

বৈঠক এড়ালেন সুদীপ
তৃণমূলের প্রথম টার্গেট যে সুদীপ রায়বর্মণ হবেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাইআগে থেকে আঁচ করেই সুদীপকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিল বিজেপি। সেখান থেকে ফিরে আসার পর দলবদলের জল্পনায় জল ঢেলেছিলেন তিনি। তারপরেই দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছিলেন সুদীপ। ত্রপুরায় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের পর আর ক্ষোভ চাপা রাখতে পারেননি তিনি। প্রকাশ্যে বিপ্লব দেবের সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, বিপ্লবের নীতির সঙ্গে মেলাতে পারছি না। সোমবার আগরতলায় দলীয় নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠকডেকেছিল বিজেপি তাতে দেখা যায়নি সুদীপ রায়বর্মনকে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ডাকা বৈঠকে সুদীপের অনুপস্থিতি তাঁর দলবদলের জল্পনা বাড়িয়েছে। সূত্রের খবর বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই তিনি পার্টি অফিস থেকে বেরিয়ে যান।

ত্রিপুরায় শক্তি বাড়াচ্ছে তৃণমূল
ত্রিপুরায় শক্তি বাড়াচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তৃণমূল কংগ্রেস সেখানে ঘাঁটি গেড়েছে। খেলা হবে দিবস থেকে শুরু করে রাখি সব ক্ষেত্রে সেখানে শক্তিপ্রদর্শন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সেখানে গিয়ে দলের নেতা কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। দফায় দফায় তৃণমূল যুবসংগঠনের নেতারা ত্রিপুরা সফর করছেন। সেখানে তৃণমূলের যুবসংগঠনের নেতাদের গ্রেফতারের ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়,দোলা সেন সহ একাধিক সাংসদ নিয়ে থানায় ধর্না দিয়েছেন। দোলা সেনের উপর হামলা হয়েছে ত্রিপুরায়। এদিকে আবার ত্রিপুরা পুলিশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ৬ সাংসদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে ত্রিপুরা পুলিশ।

মমতার হুঙ্কার
২০২৩ সালে ভোট ত্রিপুরায়। তার আগেই ত্রিপুরা দখলের হুঙ্কার দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। কয়েকদিন আগেই ত্রিপুরায় খেলা হবে বলে স্লোগান দিয়েছিলেন তিনি। এমনকী অসমকেও টার্গেট করেছে তৃণমূল। কয়েকদিন আগেই অসমের কংগ্রেস নেত্রী যোগ দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। তারপরেই অসমেও খেলা হবে স্লোগান দিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications