Dilip Ghosh: তৃণমূল নেতারা চোর, সেজন্যই বাড়িতে তল্লাশি হচ্ছে, সোজাসাপ্টা মন্তব্য দিলীপ ঘোষের
Dilip Ghosh: সাধারণ মানুষের টাকা লুট হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের টাকা তৃণমূল নেতাদের পকেটে ঢুকেছ। আরও একবার এই অভিযোগ করলেন দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার দিনভর তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি অভিযান চালায়। তৃণমূল বিধায়কের বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা, সোনার গয়না উদ্ধার হয়েছে। তাই নিয়েও শুরু রাজনৈতিক তরজা।
কীভাবে এই টাকা আসছে? কাদের কাছে এত পরিমাণে টাকা পাওয়া যাচ্ছে? মানুষ সবই বুঝতে পারছে। ধর্মতলায় অমিত শাহের সভার মঞ্চে বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা হয়েছে। মানুষের অধিকার ফেরানোর কথা বলা হয়েছে। রাজ্যে তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে টাকা পাওয়া যাচ্ছে। আরও তথ্য থাকতে পারে। আগামী দিনে সেই সব সামনে আসবে। আরও অভিযান হবে। এমনই মনে করেন দিলীপ ঘোষ।

বিধায়কের বাড়ি থেকে টাকা পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সেই টাকার কোনও ছবি সামনে প্রকাশ করেনি। কেন এবার ছবি প্রকাশিত হল না? তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দিলীপ ঘোষ মনে করেন, হয়তো আদালতের কোনও বক্তব্য রয়েছে। সেজন্যই এবার সিবিআই এইসব বিষয় প্রকাশ্যে আনছে না। তবে টাকা গোনার মেশিন গিয়েছে। টাকা পাওয়া গিয়েছে। এ কথা তো শোনা গিয়েছে বিভিন্ন জায়গা থেকেই। তথ্য-নথি আদালতে জামা পড়বে। সব সময় সব কিছু বাইরে প্রকাশ্যে আসার দরকার নেই। এমনই মনে করছেন বিজেপি সাংসদ।
সিবিআই, ইফি বেছে বেছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের বাড়িতে যাচ্ছে। কোনও প্রতিহিংসামূলক রাজনীতি কি চলছে এই রাজ্যে? এই প্রশ্ন মানতে চাননি বিজেপির সাংসদ। সারা দেশজুড়েই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করছে। বিভিন্ন জায়গায় একইভাবে সাড়া দেওয়া হচ্ছে। কেবল নেতা নয়, বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী, পুলিশ প্রশাসনের ব্যক্তিদের বাড়িতেও এই হানা দেওয়া হচ্ছে। ফলে কেবল তৃণমূলের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটছে, এমনটা সত্যি নয়।
তৃণমূল নেতারা চোর। সে কারণেই তাদের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলছে। পরিষ্কার এ কথা জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ ।সকলের বাড়িতেই এই অভিযান হবে। কারোর বাড়িতে আগে হচ্ছে, কারোর পরে। নরেন্দ্র মোদী সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছে। দুর্নীতি শেষ করার জন্যই তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
৩৭০ ধারা করা হয়েছে, রাম মন্দির তৈরি হয়েছে ভারতবর্ষে। ফলে সিএএ লাঘু করা হবে। বিজেপি সরকারের কাছে এটি নস্যির মতো বিষয়। এমনই বক্তব্য রাখলেন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও খোঁচা দিয়েছেন দিলীপ। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নেই। এদিকে সাধারণ মানুষকে টাকা দিচ্ছেন তিনি। সেই টাকা কী করে আসছে? নেতাদের বাড়িতে নগদ টাকা কীভাবে থাকে? সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications