তৃণমূলের দম নেই, বিজেপির কাছে আত্মসমর্পণ করেছে, মহুয়ার পাশে থেকে কটাক্ষ অধীরের
তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের পাশে অধীর চৌধুরী। সংসদের এথিক্স কমিটি মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ খারিজের পক্ষপাতি। শুধু তাই নয়, কৃষ্ণনগরের সাংসদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় এজেন্সিও তদন্ত করতে পারে। তৃণমূল দল কতটা পাশে রয়েছে মহুয়া মৈত্রর? সেই প্রশ্ন বারবার উঠছে।
এত কিছুর মধ্যেও অধীর চৌধুরী মহুয়া মৈত্রের পাশেই আছেই৷ বিজেপির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছন সাংসদ। আদানিকে ঘিরে ঝাঁঝালো কথা বলেছেন সংসদ ভবনে। তাই কি শাস্তির খাঁড়া নেমে আসছে তৃণমূল সাংসদের উপরে? মহুয়া মৈত্রকে কি সংসদ ভবন থেকে সরানোর জন্য বিজেপি বদ্ধপরিকর? সেই প্রশ্ন উঠছে।

কংগ্রেসের সাংসদ অধীর চৌধুরী মহুয়ার পক্ষেই আছেন। আরও একবার সেই কথা হাবেভাবে বুঝিয়ে দিলেন অধীর চৌধুরী। পাশাপাশি তৃণমূল সম্পর্কেও তীব্র সমালোচনা তাঁর গলায়। বিজেপির কাছে তৃণমূল কংগ্রেস আত্মসমর্পণ করে ফেলেছে। তাই এই ইস্যুতে মাথা নীচু করে আছে তারা।
এদিন সাংবাদিক বৈঠক করেন অধীর চৌধুরী। মহুয়া মৈত্র ইস্যুতে অধীর চৌধুরী বলেন, তৃণমূলের দম নেই। তার কারণ বিজেপির কাছে মাথা নীচু করে বসে আছে তারা। বিজেপির কাছে আত্মসমর্পণ করে থাকলে বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বলা যায় না। যারা বিজেপির কাছে আত্মসমর্পণ করে দিয়েছে, তারা প্রতিবাদ করবে কী করে?
এথিক্স কমিটির ভূমিকা ও কাজ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অধীর চৌধুরী। যারা বলছেন, সাংসদ মহুয়া মৈত্র অনৈতিক কাজ করেছেন। যারা আজকে আইনের কথা বলছেন, তারাই আজকে সংবাদ মাধ্যমের কাছে সমস্ত তথ্য দিয়ে দিচ্ছেন। আজকে যারা নিয়মের কথা বলছেন, তারা কিন্তু নিয়মে ভেঙে চলেছেন। আজকে পাঁচটা রিপোর্টের উপরে এথিক্স কমিটির মেম্বাররা মন্তব্য দেন। সেটা সংযোজন হয় বিয়োজন হয়।
স্পিকারের কাছে যাওয়া এবং পরবর্তীকালে পাবলিক ডোমেনে যাওয়া পর্যন্ত গোপনীয়তা থাকে। কিন্তু এখানে গোপনীয়তা কী করে থাকছে? কীভাবে সংবাদ মাধ্যমের কাছে এই রিপোর্ট চলে আসছে? সেই প্রশ্ন তুলেছেন অধীর চৌধুরী। তাঁর কটাক্ষ, এখন সংসদ ভবনকে বিজেপি নিজের অফিসের মতো ব্যবহার করতে চাইছে।
এই প্রসঙ্গে তিনি তাঁর ও রাহুল গান্ধীর উপরে আক্রমণ নেমে আসার ঘটনার কথাও বলেছেন। অধীরের কথায়, "আমাকেও তো লোকসভা থেকে সরানো হয়েছিল কিছুদিন আগ। আমার একটি ভাষা তারা বোঝেনি। তাই আমাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।"
তাঁর আরও বক্তব্য, "আমরা কি লোকসভার ভেতরে কিছু কথা বলতে পারব না? শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে রাহুল গান্ধী তাঁর সাংসদ পদ হারিয়েছিলেন। একই শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে আজকে মহুয়া মৈত্রের শাস্তি হতে চলেছে।"
রাজ্যে বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলন আছে। সেজন্য তৃণমূল চুপ করে আছে। এই কটাক্ষ করেছেন অধীর চৌধুরী।












Click it and Unblock the Notifications