দলে দুর্নীতিকে সিলমোহর! তৃণমূল বিধায়কের তোপে রাজ্যসভার সাংসদ
দলে দুর্নীতিকে সিলমোহর! তৃণমূল বিধায়কের তোপে রাজ্যসভার সাংসদ
নিজের কার্যালয়ে ফিরলেন তিনি। তবে সেখান থেকে অনেক আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (mamata banerjee) ছবি থেকে শুরু করে তৃণমূলের (trinamool congress) পতাকা, সব কিছুই। এদিন কোচবিহার দক্ষিণের সাংসদ মিহির গোস্বামী বলেছেন, দল রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলেও অধিকারী পরিবারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক থাকবে।

আপত্তি দলের বিধায়কের মন্তব্যে
মিহির গোস্বামী আপত্তি করেছেন দলের বিধায়ক উদয়ন গুহের মন্তব্যে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, উদয়ন গুহ দলের পঞ্চায়েত সদস্যদের উদ্দেশে মন্তব্য করেছিলেন আগামী ছমাসের জন্য মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার বন্দোবস্ত করতে হবে। মিহির গোস্বামীর মতে, এতে প্রমাণ হয়, তৃণমূলের নিচুতলার নেতারা দুর্নীতিগ্রস্ত।

দলের রাজ্যসভার সাংসদকে আক্রমণ
দলের রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেনকেও এদিন একহাত নিয়েছেন মিহির গোস্বামী। তিনি বলেছেন দোলা সেনও উদয়ন গুহর মতো কথা বলেছিলেন। অপমান করেছিলেন নিচুতলার নেতা কর্মীদের। মিহির গোস্বামী বলেন, দোলা সেন বলেছিলেন, যে টাকা তুলছেন, তার ৭৫ শতাংশ দলকে দিন আর ২৫ শতাংশ নিজেরা রাখুন। মিহির গোস্বামীর মতে, দোলা সেনের এই কথায় দুর্নীতিকেই সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। ফলে তিনি অপমানিত বোধ করছেন।

দলীয় কর্মীদের নিজের দিকে তাকানো দরকার
মিহির গোস্বামী আরও বলেন, দলের অনেক বিধায়ক, সাংসদরা এইভাবেই দলের কর্মীদের অপমান করছেন। এবার সময় এসেছে কর্মীদের নিজেদের দিকে তাকানোর। তিনি বলেন, বেড়ালের গলায় ঘন্টা কে বাঁধবে, এটা তৃণমূলের অন্দরে দ্বিধা থাকলেও, তিনি সেই কাজ করে দিয়েছেন।

সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছেন কলকাতার নেতারা
কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়কের অভিযোগ দলের কিছু নেতা কলকাতা থেকে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছেন। তাঁরাই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য , অক্টোবরের শুরুর দিকে মিহির গোস্বামীর অভিযোগ ছিল, বিধায়কদের মতামত ছাড়াই তৃণমূলের জেলা কমিটি তৈরি করা হয়েছে। দলীয় দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির কাছে অভিযোগ জানালেও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। উত্তরবঙ্গের প্রতি বঞ্চনার অভিযোগও ছিল তাঁর মুখে।

অধিকারীর পরিবারের সঙ্গে ৪০ বছরের সম্পর্ক
এদিন মিহির গোস্বামীর কাছে শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি বলেছে, অধিকারীর পরিবারের সঙ্গে তাঁর ৪০ বছরের সম্পর্ক। তিনি বলেছেন, যদি রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক নাও থাকে তবুও অধিকারী পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক থাকবে। শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে যে জল্পনা শুরু হয়েছে, সে সম্পর্কে তিনি বলেন, তিনি(শুভেন্দু অনেক বড়মাপের নেতা। তাই ওঁকে যা মানায়, তাঁকে(মিহির) তা মানায় না। তৃণমূলে তিনি ফিরবেন না, এদিন শুরুতেই জানিয়েছিলেন। তাই দলবদল সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক বলেন, অমিত শাহ ডাকলে তিনি সাড়া দেবেন












Click it and Unblock the Notifications